বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায়

রংপুর – তারাগঞ্জ উপজেলা

ডিজিটাল আর্কাইভে স্বাগতম

"রংপুর – তারাগঞ্জ" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা

রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার আর্থ-সামাজিক ও ঐতিহাসিক ডিরেক্টরি

তারাগঞ্জ উপজেলায় গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা:

গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বহুমুখী উন্নয়ন উদ্যোগের ফলে তারাগঞ্জ উপজেলার ভৌত অবকাঠামো, কৃষি, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এই উপজেলার সর্বস্তরে ব্যাপক ও সুষম উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যার সুনির্দিষ্ট চিত্র নিচে দেওয়া হলো: (ক) মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং উগ্রবাদ প্রতিরোধে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম সেরা মেগাপ্রকল্পের আওতায় তারাগঞ্জ উপজেলায় একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক ‘মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ নির্মাণ করা হয়েছে
। ৯,৪৩৫ কোটি টাকা বাজেটের এই দেশব্যাপী মেগাপ্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ১০ জুন এবং ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি দুই ধাপে উদ্বোধনের মাধ্যমে এর দুয়ার উন্মুক্ত করা হয়।
৩ তলা বিশিষ্ট এই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কমপ্লেক্সে একসঙ্গে ৯০০ জন মুসল্লির নামাজ আদায়ের পাশাপাশি নারীদের জন্য পৃথক নামাজ কক্ষ, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, দ্বীনি গবেষণা কেন্দ্র এবং হজযাত্রীদের ডিজিটাল নিবন্ধনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে।

(খ) তারাগঞ্জ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প (ভূমিহীনদের ঘর):

বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না‘—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মানবিক প্রত্যয় বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তারাগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সয়ার ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি খাস জমিতে দৃষ্টিনন্দন আবাসন পল্লী গড়ে তোলা হয় এবং ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রথম দফায় ১৩০টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিটি ঘর নির্মাণে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে এবং নিরাপদ পানি ও বিদ্যুতের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সচ্ছল ব্যক্তিদের ঘর ভাড়া দেওয়ার মতো অভিযোগ থাকায় স্থানীয় প্রশাসন তা কঠোরভাবে নজরদারি করছে।

(গ) তারাগঞ্জ উপজেলায় তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন:

প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে, যেখানে জরুরি সেবার জন্য ‘১৬৯৯৯’ হটলাইন চালু রয়েছে।
এছাড়া গবাদিপশুর চিকিৎসায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল থেকে খামারিদের নিয়ে উঠান বৈঠক এবং বিনামূল্যে ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে ।
(ঘ) তারাগঞ্জ উপজেলায় স্মার্ট শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণ:
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে তারাগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিজিটাল সেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট সরকারি কলেজ’ বর্তমানে অনলাইনেই ভর্তি ও তথ্য সংক্রান্ত ডিজিটাল সেবা দিচ্ছে । এছাড়া বিগত ১৫ বছরে এই অঞ্চল থেকে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে, যেখানে প্রবাসীদের জন্য ১ লাখেরও বেশি কর্মীর রেজিস্ট্রেশন এবং মৃত প্রবাসীদের পরিবারকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
(ঙ) তারাগঞ্জ উপজেলায় ভৌত অবকাঠামো, কৃষি রূপান্তর ও শতভাগ বিদ্যুতায়ন:
উপজেলায় গ্রামীণ বিদ্যুতায়নে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর নিরলস কার্যক্রমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ৪৭টি গ্রামে শতভাগ বিদ্যুতায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হলেও আলু ও খাদ্যশস্যের দামের অনিশ্চয়তার কারণে কৃষকরা বর্তমানে ব্যাপকভাবে তামাক চাষে ঝুঁকে পড়েছেন, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কৃষি বিভাগ এই ক্ষতিকর তামাক চাষ রোধে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করে বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে ।

একনজরে "রংপুর – তারাগঞ্জ" এর ভ্রমণ তথ্য

একনজরে ভ্রমণ তথ্য: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাকৃতিক নান্দনিকতার এক চমৎকার গন্তব্যস্থল। যাতায়াত ব্যবস্থার দিক থেকে সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৮ কিলোমিটার এবং রংপুর বিভাগীয় শহর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৯ থেকে ২৫ কিলোমিটার।

 

দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাস, কার বা সিএনজিযোগে সরাসরি রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক হয়ে এখানে আসা যায়। এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হলো ইকরচালী ইউনিয়নে অবস্থিত ‘কালেক্টরেট বামনদিঘি ইকোপার্ক’। ৫ একর ৪০ শতক জমির ওপর প্রাচীন ‘বামনদিঘি’কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই পার্কে রয়েছে সুসজ্জিত তোরণ, ‘I LOVE RANGPUR’ ভাস্কর্য, শিশুদের জন্য রাইড এবং লাল-সবুজ দৃষ্টিনন্দন গোল ঘর।

 

শীতকালে অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত এই পার্কটিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ ফ্রি, যা স্থানীয় জনসাধারণের চিত্তবিনোদনের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখছে।

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:

তারাগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের রংপুর জেলার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৃষি-অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অঞ্চল। ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক অনুযায়ী এটি ২৫°৪৮′৫৩″ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১′১১″ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। উপজেলার মোট আয়তন ১২৮.৬৪ বর্গকিলোমিটার বা ৪৯.৬৭ বর্গমাইল।

সীমানা বিবেচনা করলে এর উত্তরে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে গংগাচড়া ও রংপুর সদর উপজেলা এবং পশ্চিমে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা অবস্থিত। প্রশাসনিকভাবে এই উপজেলা সর্বমোট ৫টি ইউনিয়ন (আলমপুর, কুর্শা, ইকরচালী, হাড়িয়ারকুঠি এবং সয়ার) নিয়ে গঠিত।

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এখানকার মোট জনসংখ্যা ১,৪০,৮৩৩ জন এবং জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১,১০০ জন।

 

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ইতিহাস ও ঐতিহ্য: তারাগঞ্জ উপজেলার নামকরণের পটভূমি ও ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ইতিহাস ও জনশ্রুতি থেকে জানা যায়, প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে ‘তারা বিবি’ নামে একজন আধ্যাত্মিক ও পুণ্যবতী নারী বসবাস করতেন, যাঁর মাজার ঐতিহাসিক তারাগঞ্জ হাটের পাশেই আজ পর্যন্ত সংরক্ষিত রয়েছে। এই মাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বাজারটি কালক্রমে তাঁর নামানুসারে ‘তারাগঞ্জ’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

 

প্রশাসনিকভাবে ১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি এটি পূর্ণাঙ্গ থানা এবং ১৯৮৩ সালে উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের দিক থেকে এটি ছিল তীব্র সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্র। ১৭৮৩ সালে সংগঠিত অবিভক্ত বাংলার ঐতিহাসিক ‘ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ’ ও কৃষক প্রজা বিদ্রোহে সয়ার ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ নামক স্থানে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ইংরেজ সেনাপতি টমাস নিহত হন।

এছাড়া ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যমুনেশ্বরী নদীর ওপর বরাতি ব্রিজে এবং আলমপুরের মধুরামপুর দোলাপাড়ায় সংঘটিত নির্মম গণহত্যা এই অঞ্চলের মানুষের আত্মত্যাগের রক্তস্নাত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আছে।

🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

তারাগঞ্জ উপজেলা: উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ১৫ বছর (২০০৯-২০২৪) ক্যাপশন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরে তারাগঞ্জ উপজেলায় আধুনিক মেগাপ্রকল্প, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল শিক্ষা এবং শতভাগ বিদ্যুতায়নের অভূতপূর্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর।

স্লাইড ২: শিরোনাম: দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ক্যাপশন: আওয়ামী লীগ সরকারের দেশব্যাপী ৯,৪৩৫ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্পের আওতায় তারাগঞ্জে নির্মিত ৩ তলা বিশিষ্ট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

স্লাইড ৩: শিরোনাম: মডেল মসজিদের বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা ক্যাপশন: একসাথে ৯০০ জন মুসল্লির নামাজ আদায়, নারীদের পৃথক কক্ষ, ইসলামিক লাইব্রেরি, হজ্জ যাত্রীদের ডিজিটাল নিবন্ধন এবং ইমামদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা।

স্লাইড ৪: শিরোনাম: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প: গৃহহীনদের নতুন ঠিকানা ক্যাপশন: 'বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না'—প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে তারাগঞ্জের সয়ার ইউনিয়নের ফরিদাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে নির্মিত আধুনিক আধা-পাকা ঘর।

স্লাইড ৫: শিরোনাম: স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ সেবার আধুনিকায়ন ক্যাপশন: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে প্রান্তিক খামারিদের জন্য বিনামূল্যে ভেটেরিনারি ক্যাম্প ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি।

স্লাইড ৬: শিরোনাম: স্মার্ট শিক্ষায় 'তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট সরকারি কলেজ' ক্যাপশন: আধুনিক আইসিটি সরঞ্জাম ও অনলাইন ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট সরকারি কলেজসহ স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত ও গুণগত মানোন্নয়ন।

স্লাইড ৭: শিরোনাম: শতভাগ বিদ্যুতায়নে আলোকিত তারাগঞ্জ ক্যাপশন: রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর নিরলস কার্যক্রমে তারাগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও সকল গ্রামে শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতির প্রসার।

স্লাইড ৮: শিরোনাম: কৃষি রূপান্তর ও সরকারি প্রণোদনা ক্যাপশন: কৃষকদের বিনামূল্যে সার, বীজ ও সেচ ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ক্ষতিকর তামাক চাষ রোধে কৃষি বিভাগের সচেতনতা কার্যক্রম।

স্লাইড ৯: শিরোনাম: বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ ক্যাপশন: বিগত ১৫ বছরে তারাগঞ্জসহ রংপুর জেলার ১ লক্ষেরও বেশি কর্মীর নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং প্রবাসী কল্যাণ অনুদান প্রদানের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন।

স্লাইড ১০: শিরোনাম: একনজরে তারাগঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থান ক্যাপশন: রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক সংলগ্ন ১২৮.৬৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলাটি ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত, যার বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার।

স্লাইড ১১: শিরোনাম: তারাগঞ্জের ইতিহাস ও লড়াকু ঐতিহ্য ক্যাপশন: পুণ্যবতী 'তারা বিবি'র নামানুসারে তারাগঞ্জ নামকরণ; ১৭৮৩ সালের ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত এক প্রাচীন জনপদ।

স্লাইড ১২: শিরোনাম: পর্যটন ও বিনোদন: কালেক্টরেট বামনদিঘি ইকোপার্ক ক্যাপশন: পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ তারাগঞ্জের ইকরচালীতে ৫.৪০ একর জমিতে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দন বামনদিঘি ইকোপার্ক, সোলার লাইটিং এবং 'আই লাভ রংপুর' ভাস্কর্য।

এখানে সূর্যাস্তের মনোরম আলোয় বামনদিঘি ইকোপার্কের স্নিগ্ধ দীঘি এবং সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশের একটি দৃষ্টিনন্দন প্যানোরামিক ছবি

৪.৮

১০৫ জনমত

উন্নয়ন কেমন দেখছেন?