বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায়

হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা

ডিজিটাল আর্কাইভে স্বাগতম

"হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ডিরেক্টরি
১. গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা: ২০১৭ সালের ২০শে নভেম্বর বাংলাদেশের ৪৯২তম উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা শায়েস্তাগঞ্জ গত ১৫ বছরে একটি ঐতিহাসিক ট্রানজিট পয়েন্ট থেকে আধুনিক শিল্পনগরীতে রূপান্তরিত হয়েছে   । এই উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
  • (ক) মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: ধর্ম চর্চা ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৯,৪৩৫ কোটি টাকা বাজেটের জাতীয় প্রকল্পের অংশ হিসেবে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সদরে একটি ‘বি-ক্যাটাগরি’ (১,৬৮০.১৪ বর্গমিটার) ৩ তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের ১৬ই জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়   । এখানে নারী-পুরুষের আলাদা নামাজ কক্ষ, লাইব্রেরি, হজ্জ নিবন্ধন, ইমাম প্রশিক্ষণ এবং অটিজম কর্নারের সুবিধা রয়েছে  
  • (খ) আশ্রয়ণ প্রকল্প (ভূমিহীনদের ঘর): ‘আশ্রয়ণ-২’ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীনদের জন্য শায়েস্তাগঞ্জে ‘হামুয়া ফেজ-২’ এবং ‘খোয়াই ফেজ-২’ সমবায় সমিতির মাধ্যমে ২ শতক জমিসহ আধা-পাকা ঘর প্রদান করা হয়েছে  । এই পুনর্বাসনের সাথে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও গভীর নলকূপের মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে  
  • (গ) ভৌত অবকাঠামো ও মেগাপ্রকল্প: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর সহায়তায় ‘সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে শায়েস্তাগঞ্জের মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে  । পাশাপাশি এলজিইডি (LGED)-এর অধীনে পুরসুন্ধা ও মাদুনপুর গ্রামে সিসি (CC) এবং ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং (BFS) রাস্তা নির্মিত হয়েছে  
  • (ঘ) শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও ডিজিটাল ভাতা: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে, যা অলিপুর শিল্পাঞ্চলের বিশাল বিস্তৃতি ঘটিয়েছে  । পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের জন্য পরিচালিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতাসমূহ ডিজিটাল করে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে  

 

এই উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার আরও তথ্য শীঘ্রই আপডেট করা হচ্ছে।

একনজরে "হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ" এর ভ্রমণ তথ্য

২. একনজরে ভ্রমণ তথ্য:
  • কোথায় যাবেন/ দর্শনীয় স্থান: পর্যটকদের জন্য শায়েস্তাগঞ্জে রয়েছে ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক ‘শায়েস্তাগঞ্জ জংশন’, দাউদনগর গ্রামের সুপরিচিত ‘গায়েবি গজার মাছের দিঘি’, এবং অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা দিগন্ত বিস্তৃত চা বাগান ও রাবার বাগান   
  • যাতায়াত ব্যবস্থা: ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এবং রেলপথে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন থাকায় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে খুব সহজেই এখানে যাতায়াত করা যায়  

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

৩. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
  • মাত্র ৩৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তন নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট উপজেলা   
  • ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী এখানকার মোট জনসংখ্যা ৯৭,৪০৮ জন এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় ২,৪৬৩ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটারে, যা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ  
  • এই উপজেলাটি ১টি পৌরসভা (৯টি ওয়ার্ড) এবং ৩টি ইউনিয়ন (ব্রাহ্মণডুরা, নূরপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ) নিয়ে গঠিত  

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

৪. ইতিহাস ও ঐতিহ্য:
  • শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে তরফ বিজয়ী সিপাহসালার সৈয়দ নাসিরুদ্দিনের অধস্তন বংশধর ‘সৈয়দ শায়েস্তা মিয়া’র নামানুসারে। আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর আগে তিনি খোয়াই নদীর তীরে একটি বাজার ও আদালত নির্মাণ করেন, যা পরবর্তীতে ‘শায়েস্তা মিয়ার বাজার’ নামে পরিচিতি পায় এবং কালক্রমে এটি শায়েস্তাগঞ্জ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে   

🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

স্লাইড ১: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ১৫ বছরের উন্নয়ন যাত্রা (২০০৯-২০২৪) ভিজ্যুয়াল বিবরণ: শায়েস্তাগঞ্জ জংশন ও আধুনিক শিল্পাঞ্চলের কোলাজ ছবি, সাথে মোট উন্নয়নের একটি সামগ্রিক চার্ট। ক্যাপশন: এই স্লাইডটিতে গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে ছোট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মাত্র ৩৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলাটি কীভাবে একটি সাধারণ ট্রানজিট পয়েন্ট থেকে একটি আধুনিক শিল্পনগরীতে রূপান্তরিত হয়েছে, তা এই ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত হয়েছে।

৪: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প - ভূমিহীনদের স্থায়ী ঠিকানা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: রঙিন টিনের চালযুক্ত আধা-পাকা ঘরের সারি এবং সুবিধাভোগী মানুষের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ক্যাপশন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী পদক্ষেপ 'আশ্রয়ণ-২' প্রকল্পের আওতায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আধা-পাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্লাইডে হামুয়া ফেজ-২ এবং খোয়াই ফেজ-২ আশ্রয়ণ সমবায় সমিতির চিত্র তুলে ধরে দেখানো হয়েছে কীভাবে প্রতিটি পরিবারকে ২ শতক জমিসহ ঘর, বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এবং নিরাপদ পানীয় জলের সুবিধা প্রদান করে তাদের জীবনমান উন্নয়ন করা হয়েছে।

স্লাইড ৩: মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিজ্যুয়াল বিবরণ: শায়েস্তাগঞ্জের ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদের ছবি। ইনফোগ্রাফিকে ২০২৩ সালে উদ্বোধনের তারিখ ও সুবিধার তালিকা। ক্যাপশন: ধর্ম চর্চা এবং ইসলামিক মূল্যবোধের সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সদরে 'বি-ক্যাটাগরি' ভুক্ত একটি দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৬ই জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন। ৯,৪৩৫ কোটি টাকার জাতীয় মেগাপ্রকল্পের অধীনে নির্মিত এই মসজিদে নারী-পুরুষের আলাদা নামাজের স্থান, লাইব্রেরি এবং অটিজম কর্নারের মতো আধুনিক সুবিধা রয়েছে।

স্লাইড ৫: মেগাপ্রকল্প - সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর ভিজ্যুয়াল বিবরণ: চার লেনে উন্নীত করা একটি প্রশস্ত মহাসড়কের আধুনিক ভিজ্যুয়াল এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর আইকন। ক্যাপশন: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে 'সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প'। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন এই মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এর ফলে শায়েস্তাগঞ্জের শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহন এবং সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক হয়ে উঠেছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে।

স্লাইড ৯: স্মার্ট শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: কম্পিউটার ল্যাবে ল্যাপটপ ব্যবহাররত শিক্ষার্থী এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন এমন গ্রামীণ মানুষের কোলাজ ছবি। ক্যাপশন: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে গত ১৫ বছরে এখানকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব' স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আধুনিক কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। এই স্লাইডে প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবার এক অসাধারণ সমন্বিত উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ৮: স্মার্ট সোশ্যাল সেফটি নেট - ডিজিটাল ভাতা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: গ্রামের একজন প্রবীণ মানুষ বা বিধবা নারীর হাতে মোবাইল ফোন, যেখানে বিকাশের বা নগদের মেসেজ দেখা যাচ্ছে। ক্যাপশন: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় বর্তমান সরকার বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিমাণ ও পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে ডিজিটালাইজেশনে; এখন শায়েস্তাগঞ্জের উপকারভোগীরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (যেমন- বিকাশ বা নগদ) মাধ্যমে সরাসরি তাদের ভাতার টাকা পেয়ে যাচ্ছেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করেছে।

স্লাইড ৬: গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (LGED) ভিজ্যুয়াল বিবরণ: গ্রামীণ সিসি (CC) বা ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং (BFS) রাস্তা এবং কালভার্টের ওপর দিয়ে মানুষের চলাচলের দৃশ্য। ক্যাপশন: গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের চিত্র এটি। এলজিইডি (LGED)-এর মাধ্যমে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়, যেমন- পুরসুন্ধা গ্রামে ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং (BFS) এবং মাদুনপুর গ্রামে নতুন সিমেন্ট কংক্রিট (CC) রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্লাইডটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ের এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন স্থানীয় কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, যাতায়াত এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিরাট ও ইতিবাচক অবদান রাখছে।

স্লাইড ৭: শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও শিল্পের প্রসার ভিজ্যুয়াল বিবরণ: আলোকিত শিল্পাঞ্চল এবং বিদ্যুতের পোলসহ গ্রামীণ রাস্তার ছবি। একটি বাল্বের আইকনে 'শতভাগ বিদ্যুতায়ন' লেখা। ক্যাপশন: আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম বড় একটি সাফল্য হলো দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। একসময়ের বিদ্যুৎহীন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আজ শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। এই স্লাইডটি প্রমাণ করে কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে শায়েস্তাগঞ্জের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে এবং সেই সাথে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প ও বৃহত্তর শিল্পাঞ্চলের ব্যাপক প্রসার ঘটা সম্ভব হয়েছে।

স্লাইড ১০: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার একটি ডিজিটাল ম্যাপ, যেখানে ৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিন্যাস এবং ৩৯.৫৫ বর্গ কিমি আয়তনের ডেটা দেওয়া আছে। ক্যাপশন: হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা শায়েস্তাগঞ্জের আয়তন মাত্র ৩৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৯৭,৪০৮ জন। ছোট হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। এই স্লাইডটিতে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা এবং এর তিনটি ইউনিয়ন (ব্রাহ্মণডুরা, নূরপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ)-এর অবস্থান, সীমানা এবং ডিজিটাল ম্যাপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইনফোগ্রাফিকের সাহায্যে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা উপজেলাটির একটি সুস্পষ্ট ভৌগোলিক ধারণা দেয়।

স্লাইড ১১: ইতিহাস ও ঐতিহ্য - প্রাচীন বাজার ও আদালত ভিজ্যুয়াল বিবরণ: প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা, খোয়াই নদীর বয়ে চলার দৃশ্য এবং 'শায়েস্তা মিয়া'র কাল্পনিক কোনো ঐতিহাসিক পোর্ট্রেট আইকন। ক্যাপশন: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার রয়েছে এক সুদীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। প্রায় ৩০০ বছর আগে ১৩০৪ সালে তরফ বিজয়ী সিপাহসালার সৈয়দ নাসিরুদ্দিনের বংশধর সৈয়দ শায়েস্তা মিয়া খোয়াই নদীর তীরে একটি বাজার ও আদালত স্থাপন করেন। তার নামানুসারেই এই এলাকার নামকরণ করা হয় শায়েস্তাগঞ্জ। এই স্লাইডটিতে খোয়াই নদী এবং সেই প্রাচীন 'নিলামি আদালত' বা শায়েস্তা মিয়ার বাজারের ঐতিহাসিক স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ১২: একনজরে ভ্রমণ ও দর্শনীয় স্থান ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন, চা বাগান এবং গায়েবি গজার মাছের দিঘির মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ছবি। ক্যাপশন: পর্যটকদের জন্য শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ হলো ১৯০৩ সালে ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক 'শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন', যা এই অঞ্চলের যোগাযোগের এক প্রাচীন নিদর্শন। এছাড়া দাউদনগর গ্রামের ঐতিহাসিক 'গায়েবি গজার মাছের দিঘি', চারপাশের দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা-বাগান এবং রাবার বাগান পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এই স্লাইডে দর্শনীয় স্থান ও যাতায়াত ব্যবস্থার চমৎকার ভ্রমণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

স্লাইড ২: উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ও শিল্পায়ন ভিজ্যুয়াল বিবরণ: অলিপুর শিল্প এলাকার একটি ব্যস্ত কারখানার ছবি এবং ২০১৭ সালে উপজেলা হওয়ার ডেটা ইনফোগ্রাফিক। ক্যাপশন: শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উন্নয়নের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক হলো ২০১৭ সালের ২০শে নভেম্বর এটিকে বাংলাদেশের ৪৯২তম পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃতি প্রদান। এই স্লাইডটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানকার অলিপুর শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক বেসরকারি বিনিয়োগ এসেছে এবং এটি সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রধান একটি অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।

৪.৮

১০৫ জনমত

উন্নয়ন কেমন দেখছেন?