বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায়

সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলা

ডিজিটাল আর্কাইভে স্বাগতম

"সিলেট জৈন্তাপুর" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা

জৈন্তাপুর উপজেলা ডিরেক্টরি
১. গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা:
  • যোগাযোগ ব্যবস্থার মেগাপ্রকল্প: এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)-এর অর্থায়নে প্রায় ৪০৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয়ে ‘সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক আপগ্রেডেশন প্রজেক্ট’ চলমান রয়েছে, যা এই জৈন্তাপুরের ওপর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগকে অত্যাধুনিক ও নিরাপদ করবে  
  • ধর্মীয় অবকাঠামো ও মূল্যবোধের উন্নয়ন (মডেল মসজিদ): বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্পের আওতায় প্রাচীন ঐতিহ্যের জৈন্তাপুরেও একটি সুপরিসর ‘মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ নির্মিত হয়েছে  
  • প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি (আশ্রয়ণ প্রকল্প): জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভূমিহীন পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে আধাপাকা ঘর উপহার দেওয়া হয়েছে, যা এখানকার খাসিয়া ও প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনেছে  
  • স্মার্ট শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে উপজেলার স্কুলগুলোতে ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’ স্থাপন করা হয়েছে। আর স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায় নিতে আধুনিকায়ন করা হয়েছে ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো  
——————————————————————————–
স্লাইড ডেকের ছবিগুলোর বিস্তারিত ক্যাপশন (জৈন্তাপুর উপজেলা):
স্লাইড ১: মানচিত্র ও সীমানা: ২৬৬.১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের সীমানা হাইলাইট করা হয়েছে।
স্লাইড ২: ইতিহাস ও ঐতিহ্য – জৈন্তা রাজবাড়ি: ১৫০০-১৬০০ সালে স্থাপিত ঐতিহাসিক জৈন্তা রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ এবং সুপ্রাচীন মেগালিথিক পাথর।
স্লাইড ৩: নীল জলের লালাখাল: পাহাড়ি সবুজ প্রকৃতির মাঝে বয়ে চলা লালাখালের শান্ত ও স্বচ্ছ নীল-সবুজ জলরাশির মনোরম দৃশ্য।
স্লাইড ৪: সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক মেগাপ্রকল্প: ৪০৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে চলমান সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক সম্প্রসারণ কাজের একটি ব্যস্ত ও আধুনিক চিত্র।
স্লাইড ৫: মডেল মসজিদ: জৈন্তাপুর উপজেলায় নির্মিত অত্যাধুনিক ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীর মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
স্লাইড ৬: আশ্রয়ণ প্রকল্প: সারি সারি রঙিন টিনের ছাউনি দেওয়া নতুন ঘর, যেখানে ভূমিহীন মানুষেরা হাসিমুখে বসবাস করছেন।
স্লাইড ৭: খাসিয়া সংস্কৃতি ও পান চাষ: খাসিয়া পল্লীতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এবং পান-সুপারি সংগ্রহের দৃশ্য।
স্লাইড ৮: কমিউনিটি ক্লিনিক: গ্রামের প্রান্তিক নারীরা তাদের শিশুদের নিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।
স্লাইড ৯: শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে কাজ শিখছে।
স্লাইড ১০: ১৫ বছরের উন্নয়নের ইনফোগ্রাফিক: আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ বৃদ্ধি, পর্যটন বিকাশ ও মানবিক উন্নয়নের তুলনামূলক গ্রাফের প্রামাণ্য চিত্র।

 

এই উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার তথ্য শীঘ্রই আপডেট করা হচ্ছে।

একনজরে "সিলেট জৈন্তাপুর" এর ভ্রমণ তথ্য

২. একনজরে ভ্রমণ তথ্য:
  • দর্শনীয় স্থানসমূহ: এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো নীল-সবুজ পানির নদী লালাখাল। এছাড়া ১৫০০-১৬০০ সালের মোগল আমলের জৈন্তা রাজবাড়ি, মেগালিথিক পাথর এবং ডিবির হাওর পর্যটকদের দারুণভাবে টানে    

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

৩. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
  • আয়তন ও প্রশাসনিক বিভাজন: জৈন্তাপুর উপজেলার মোট আয়তন ২৬৬.১১ বর্গ কিলোমিটার। এটি ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ইউনিয়নগুলো হলো— নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা, দরবস্ত, ফতেপুর এবং চিকনাগুল  

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

৪. ইতিহাস ও ঐতিহ্য:
  • জৈন্তা রাজবাড়ি: রাজকুমারী জয়ন্তীর নামানুসারে এই রাজ্যের নামকরণ করা হয় জৈন্তা। জৈন্তা রাজবাড়ি প্রাচীন খাসিয়া-জৈন্তিয়া সংস্কৃতির এক নীরব সাক্ষী। এখানে এখনো মোগল আমলের ভবনের ধ্বংসাবশেষ ও মেগালিথিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো সংরক্ষিত আছে  

🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

স্লাইড ১: মানচিত্র ও সীমানা: ২৬৬.১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের সীমানা হাইলাইট করা হয়েছে।

স্লাইড ২: ইতিহাস ও ঐতিহ্য - জৈন্তা রাজবাড়ি: ১৫০০-১৬০০ সালে স্থাপিত ঐতিহাসিক জৈন্তা রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ এবং সুপ্রাচীন মেগালিথিক পাথর।

স্লাইড ৩: নীল জলের লালাখাল: পাহাড়ি সবুজ প্রকৃতির মাঝে বয়ে চলা লালাখালের শান্ত ও স্বচ্ছ নীল-সবুজ জলরাশির মনোরম দৃশ্য।

স্লাইড ৪: সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক মেগাপ্রকল্প: ৪০৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে চলমান সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক সম্প্রসারণ কাজের একটি ব্যস্ত ও আধুনিক চিত্র।

স্লাইড ৫: মডেল মসজিদ: জৈন্তাপুর উপজেলায় নির্মিত অত্যাধুনিক ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীর মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

স্লাইড ৬: আশ্রয়ণ প্রকল্প: সারি সারি রঙিন টিনের ছাউনি দেওয়া নতুন ঘর, যেখানে ভূমিহীন মানুষেরা হাসিমুখে বসবাস করছেন।

স্লাইড ৭: খাসিয়া সংস্কৃতি ও পান চাষ: খাসিয়া পল্লীতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এবং পান-সুপারি সংগ্রহের দৃশ্য।

স্লাইড ৮: কমিউনিটি ক্লিনিক: গ্রামের প্রান্তিক নারীরা তাদের শিশুদের নিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

স্লাইড ৯: শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে কাজ শিখছে।

স্লাইড ১০: ১৫ বছরের উন্নয়নের ইনফোগ্রাফিক: আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ বৃদ্ধি, পর্যটন বিকাশ ও মানবিক উন্নয়নের তুলনামূলক গ্রাফের প্রামাণ্য চিত্র।

৪.৮

১০৫ জনমত

উন্নয়ন কেমন দেখছেন?