"ঠাকুরগাঁও হরিপুর" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা
গত ১৫ বছরে হরিপুর উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা
গত ১৫ বছরের উন্নয়ন (২০০৯-২০২৪): বিগত ১৫ বছরে হরিপুর উপজেলার ভৌত অবকাঠামো এবং আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
এলজিইডি (LGED)-এর অধীনে এই উপজেলায় গ্রামীণ যোগাযোগ ও বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে; যার মধ্যে যাদুরানী গ্রোথ সেন্টার মার্কেট উন্নয়ন, বকুয়া ইউপি অফিস থেকে চাপড়াহাট পর্যন্ত আধুনিক সড়ক এবং যমুনা খালের ওপর ৩৩ মিটার দীর্ঘ আরসিসি (RCC) গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ উল্লেখযোগ্য ।
এছাড়া ডাংগীপাড়া, হরিপুর, বকুয়া এবং আমগাঁও ইউনিয়নে নতুন সিসি (CC) ও এইচবিবি (HBB) রাস্তা এবং বনগাঁও হাটে সারফেস ড্রেন নির্মাণ করে যোগাযোগ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হয়েছে ।
কৃষিজমি ও জনবসতি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (BWDB) মাধ্যমে গেদুড়া কাঁঠালডাঙ্গী ক্যাম্প সংলগ্ন নাগর নদীর বাম তীরে নদীভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংরক্ষণে বড় প্রতিরোধমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে উপজেলার সকল সেবা তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।
একনজরে "ঠাকুরগাঁও হরিপুর" এর ভ্রমণ তথ্য
একনজরে ভ্রমণ তথ্য: হরিপুর উপজেলা পর্যটকদের জন্য ইতিহাস ও প্রকৃতির এক চমৎকার মিলনস্থল। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো মুঘল আমলের কারুকাজ সমৃদ্ধ ‘হরিপুর জমিদার বাড়ী’।
জমিদার বাড়ীর পাশেই রয়েছে চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রাচীন ‘আমাই দিঘি’ এবং ইতিহাসখ্যাত রাজা গণেশের বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ ।
এছাড়া মেদিনী সাগর মসজিদ, গেদুড়া মসজিদ, গড় ভবানীপুর এবং নাগর নদীর পাড়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত অত্যন্ত আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান। দর্শনার্থী ও শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে উপজেলা প্রশাসন শিশু পার্ক ।
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে ঠাকুরগাঁও সদরে পৌঁছে, সেখান থেকে লোকাল বাস বা সিএনজিতে করে খুব সহজেই হরিপুরে যাতায়াত করা যায় ।
ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা
ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা: হরিপুর ঠাকুরগাঁও জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা, যার মোট আয়তন ২০১.০৬ বর্গকিলোমিটার ।
এই উপজেলার পশ্চিম ও দক্ষিণ সীমান্ত জুড়ে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নির্ধারণকারী ঐতিহাসিক নাগর নদী ।
উপজেলাটি প্রশাসনিকভাবে ৬টি ইউনিয়নে বিভক্ত— গেদুড়া, আমগাঁও, বকুয়া, ডাঙ্গীপাড়া, হরিপুর এবং ভাতুরিয়া ।
উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ঐতিহাসিকভাবে হরিপুর উপজেলা সুপ্রাচীন ‘ভাতুরিয়া পরগনা’র অংশ ছিল ।
ইতিহাসখ্যাত স্বাধীন বাংলার হিন্দু শাসক রাজা গণেশ এই অঞ্চলের শাসক ছিলেন বলে জানা যায়। এখানকার হরিপুর জমিদার বাড়ীটি এই উপজেলার প্রধান ঐতিহাসিক স্থাপনা, যা মুঘল ও পরবর্তী স্থাপত্য রীতির এক চমৎকার সংমিশ্রণ বহন করে ।
এই প্রাচীন স্থাপনাগুলো গত ১৫ বছরে সরকারি সংরক্ষণের আওতায় আসায় উপজেলার পর্যটন বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ।
🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ
যোগাযোগ ও বাণিজ্য : যাদুরানী গ্রোথ সেন্টার ও যমুনা খালের ওপর ৩৩ মি. আরসিসি ব্রিজ গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি এনেছে।
ঐতিহাসিক পর্যটন : মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী 'হরিপুর জমিদার বাড়ী' পর্যটকদের অন্যতম মূল আকর্ষণ।
নদী শাসন ও কৃষি সুরক্ষা: নাগর নদীর তীর সংরক্ষণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কৃষিজমি ও বসতি রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে ।
গ্রামীণ অবকাঠামো : ডাংগীপাড়া ও আমগাঁওসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে নতুন পাকা রাস্তা গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করেছে ।
গ্রামীণ অবকাঠামো : ডাংগীপাড়া ও আমগাঁওসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে নতুন পাকা রাস্তা গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করেছে ।
প্রাচীন ঐতিহ্য : জমিদার বাড়ীর পাশে অবস্থিত প্রাচীন 'আমাই দিঘি' এবং মেদিনী সাগর মসজিদ এই অঞ্চলের ইতিহাসের সাক্ষী।
ঐতিহাসিক পর্যটন : মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী 'হরিপুর জমিদার বাড়ী' পর্যটকদের অন্যতম মূল আকর্ষণ।
প্রাচীন ঐতিহ্য : জমিদার বাড়ীর পাশে অবস্থিত প্রাচীন 'আমাই দিঘি' এবং মেদিনী সাগর মসজিদ এই অঞ্চলের ইতিহাসের সাক্ষী।
প্রাচীন ঐতিহ্য : জমিদার বাড়ীর পাশে অবস্থিত প্রাচীন 'আমাই দিঘি' এবং মেদিনী সাগর মসজিদ এই অঞ্চলের ইতিহাসের সাক্ষী।
প্রাচীন ঐতিহ্য : জমিদার বাড়ীর পাশে অবস্থিত প্রাচীন 'আমাই দিঘি' এবং মেদিনী সাগর মসজিদ এই অঞ্চলের ইতিহাসের সাক্ষী।
ঐতিহাসিক পর্যটন : মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী 'হরিপুর জমিদার বাড়ী' পর্যটকদের অন্যতম মূল আকর্ষণ।
ঐতিহাসিক পর্যটন : মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী 'হরিপুর জমিদার বাড়ী' পর্যটকদের অন্যতম মূল আকর্ষণ।