"পঞ্চগড় সদর" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা
(ক)পঞ্চগড় সদর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র:
পঞ্চগড় সদর আশ্রয়ণ প্রকল্প (ভূমিহীনদের ঘর):
পঞ্চগড় সদর তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা (কমিউনিটি ক্লিনিক আধুনিকায়ন):
(ঘ)পঞ্চগড় সদর স্মার্ট শিক্ষা (শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব):
(ঙ) পঞ্চগড় সদর ভৌত অবকাঠামো, কৃষি রূপান্তর ও শতভাগ বিদ্যুতায়ন:
এই উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার তথ্য শীঘ্রই আপডেট করা হচ্ছে।
একনজরে "পঞ্চগড় সদর" এর ভ্রমণ তথ্য
- যাতায়াত ব্যবস্থা: রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে সরাসরি পঞ্চগড় শহরে আসা যায়। এছাড়া ঢাকার সাথে রেল যোগাযোগের বৈপ্লবিক উন্নয়নের ফলে এখন ৩টি আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেনের সাহায্যে খুব সহজেই পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব। রেলপথে ভ্রমণ এখন অত্যন্ত আরামদায়ক ও নিরাপদ ।
- কোথায় থাকবেন: পর্যটকদের থাকার জন্য পঞ্চগড় শহরে উন্নতমানের আবাসিক হোটেল, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো এবং সার্কিট হাউজ রয়েছে। আধুনিক নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন এসব জায়গায় স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে।
- দর্শনীয় স্থানসমূহ: পঞ্চগড় সদর উপজেলায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও মনোরম দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সদর উপজেলা হতে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ১নং অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত প্রাচীন ‘ভিতরগড়’ এবং ‘মহারাজার দিঘী’, যা ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। পঞ্চগড় শহরের সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে রয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ‘রকস মিউজিয়াম’। এছাড়া সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নে (৫ কি.মি. দক্ষিণে) রয়েছে ‘মিরগড়’। পঞ্চগড়ের চমৎকার চা বাগান এবং চারপাশের সবুজে ঘেরা প্রকৃতি পর্যটকদের মন কেড়ে নেয় ।
সরকারি ও উপজেলা অফিসসমূহ: পঞ্চগড় সদর উপজেলায় জনসাধারণের সেবার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় (এলজিইডি), উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা নির্বাচন অফিস, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
আইসিটিডি ডিজিটাল ল্যাব সমৃদ্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: সদর উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে বেশ কিছু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
উচ্চ বিদ্যালয়: পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয়, অমরখানা উচ্চ বিদ্যালয়, দশমাইল দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড় পৌর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, জগদল উচ্চ বিদ্যালয়, এবং সিংরোড রতনীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়।
কলেজ ও মাদ্রাসা: মফিজার রহমান কলেজ, বিসিকনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, মিঠাপুকুর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলিম মাদ্রাসা।
দর্শনীয় স্থান (পঞ্চগড় সদর): পর্যটকদের জন্য সদর উপজেলায় চমৎকার কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে:
ভিতরগড় ও মহারাজার দিঘী: সদর উপজেলা থেকে প্রায় ১৫ কি.মি. উত্তরে ১নং অমরখানা ইউনিয়নে ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় প্রাচীন ভিতরগড় ও ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘী অবস্থিত।
মিরগড়: সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নে (শহর থেকে ৫ কি.মি. দক্ষিণে) এটি অবস্থিত।
রকস মিউজিয়াম: পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে এই ব্যতিক্রমী পাথরের জাদুঘরটি অবস্থিত।
স্বাস্থ্যসেবা ও উন্নয়ন: জেলার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পঞ্চগড় সদরের একমাত্র ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটিকে আটতলা বিশিষ্ট ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া সদর উপজেলায় সরকারিভাবে ৩৫০ একর জমিতে উন্নত জাতের আলু বীজ খামার স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা
উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৪. ইতিহাস ও ঐতিহ্য: পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইতিহাস অত্যন্ত সুপ্রাচীন ও গৌরবের। প্রাচীনকালে এই ভূখণ্ড প্রাগজ্যোতিষ, কামরূপ, পুণ্ড্রবর্ধন এবং মধ্যযুগে কোচবিহার রাজ্যের অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল। পঞ্চগড় নামের পটভূমি নিয়ে ঐতিহাসিকদের ধারণা, প্রাচীনকালে এখানে পাঁচটি ‘গড়’ বা দুর্গ ছিল— ভিতরগড়, মিরগড়, হোসেনগড়, রাজনগড় ও দেবনগড়। এই পাঁচটি গড়ের সমন্বয়েই এলাকাটির নাম হয় ‘পঞ্চগড়’। ১৯৮০ সালে তেঁতুলিয়া, বোদা, আটোয়ারী, দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর থানাকে একত্রিত করে ‘পঞ্চগড় মহকুমা’ গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ভিতরগড় ও মহারাজার দিঘী এই উপজেলার ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান স্মারক ।
🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ
মেগাপ্রকল্প - মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে পঞ্চগড় সদর উপজেলায় নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ও বিশাল মডেল মসজিদের একটি চমৎকার ছবি রয়েছে। চারপাশের প্রকৃতি অত্যন্ত সবুজ ও প্রাণবন্ত। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মুসল্লিরা শান্ত পরিবেশে মসজিদে প্রবেশ করছেন এবং ইনফোগ্রাফিকে প্রাক্কালিত ব্যয় ও নির্মাণকাল তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী ও ধর্মপ্রাণ উদ্যোগের অন্যতম সেরা মেগাপ্রকল্প হলো দেশের প্রতিটি উপজেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন। পঞ্চগড় সদর উপজেলাতেও বিশাল প্রাক্কালিত ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই অত্যাধুনিক মডেল মসজিদ। এই প্রকল্পে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক ওযুর স্থান, লাইব্রেরি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নামাজ কক্ষ, ইসলামি গবেষণা কক্ষ এবং হজ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের এই অভাবনীয় উন্নয়নের ফলে অত্র এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মানুষের নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং ইসলামি মূল্যবোধ বিকাশে এই মডেল মসজিদ পঞ্চগড়ে একটি সামাজিক ও আধ্যাত্মিক বিপ্লব ঘটিয়েছে, যা বর্তমান সরকারের এক অবিস্মরণীয় কীর্তি।
মেগাপ্রকল্প - ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প ভিজ্যুয়াল বিবরণ: একটি অত্যন্ত সুন্দর ও সাজানো আশ্রয়ণ পল্লীর ছবি। লাল টিনের ছাউনি দেওয়া আধাপাকা ঘরগুলোর সামনে হাসিমুখো দরিদ্র পরিবার ও শিশুদের দেখা যাচ্ছে। গ্রামীণ সবুজ প্রকৃতির সাথে ইনফোগ্রাফিকে '১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়' এবং 'শতভাগ ভূমিহীনমুক্ত জেলা' কথাটি লেখা রয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: ২০০৯-২০২৪ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে মানবিক ও বৃহৎ মেগাপ্রকল্প হলো 'আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প'। এই প্রকল্পের অধীনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ২০২২ সালের ২১ জুলাই পঞ্চগড়কে দেশের প্রথম শতভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই অভূতপূর্ব অর্জনের আওতায় পঞ্চগড় সদর উপজেলাসহ পুরো জেলায় মোট ৪ হাজার ৮৫০টি ছিন্নমূল পরিবারকে জমিসহ আধাপাকা ঘর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে প্রাক্কালিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই যুগান্তকারী মেগাপ্রকল্পের কারণে হাজারো সহায়-সম্বলহীন মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে এবং তারা পেয়েছেন একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ঠিকানা। এটি সামাজিক সুরক্ষায় এক অভাবনীয় দৃষ্টান্ত।
উন্নয়ন খাত - স্বাস্থ্যসেবায় কমিউনিটি ক্লিনিক ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি সুসজ্জিত ও আধুনিক কমিউনিটি ক্লিনিকের ছবি। স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামীণ প্রান্তিক নারী ও শিশুদের সেবা প্রদান করছেন। ইনফোগ্রাফিকে বিনামূল্যে ৩০ প্রকার ওষুধের তালিকা ও ২৫০ শয্যার হাসপাতালের উন্নয়নের ডেটা দেখানো হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিশ্বনন্দিত কর্মসূচি 'কমিউনিটি ক্লিনিক' পঞ্চগড় সদর উপজেলায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। ২০০৯-২০২৪ মেয়াদে এই ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধে এটি জাদুর মতো কাজ করেছে। এছাড়াও সদর উপজেলার একমাত্র ১০০ শয্যার হাসপাতালটিকে আটতলা বিশিষ্ট ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত করার মেগাপ্রকল্প চলমান রয়েছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে স্বাস্থ্যখাতে এই বিপুল বিনিয়োগ ও প্রাক্কালিত ব্যয়ের ফলে পঞ্চগড়ের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবায় আর কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না, যা একটি সুস্থ জাতি গঠনে চরম সহায়ক।
উন্নয়ন খাত - স্মার্ট শিক্ষা ও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ভিজ্যুয়াল বিবরণ: আধুনিক আইসিটিডি বা শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে স্কুলপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের হাসিমুখে কম্পিউটারে কাজ করার ছবি। পিছনে শিক্ষকদের গাইড করার দৃশ্য এবং ইনফোগ্রাফিকে শিক্ষার হার ৭৪% এ উন্নীত হওয়ার ডেটাগ্রাফিক আইকন রয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে পদার্পণের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (যেমন- পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয়, অমরখানা উচ্চ বিদ্যালয়) 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব' স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও এখন আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানে আলোকিত হচ্ছে। ২০০৮ সালে যেখানে পঞ্চগড়ে শিক্ষার হার ছিল মাত্র ৪৮.৩৬ শতাংশ, আওয়ামী লীগ সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বর্তমানে তা ৭৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এই দীর্ঘমেয়াদী শিক্ষাউন্নয়ন মেগাপ্রকল্পের ফলে সদর উপজেলার তরুণ সমাজ আগামীর স্মার্ট ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হচ্ছে।
উন্নয়ন খাত - শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও আলোর ঝলকানি ভিজ্যুয়াল বিবরণ: রাতে একটি গ্রামীণ রাস্তার আলোকিত দৃশ্য, যেখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে আলো জ্বলছে। পরিবারের সদস্যরা বিদ্যুতের আলোয় কাজ করছেন। ইনফোগ্রাফিক চার্টে ২০০৬ সালের ৪৪% থেকে ২০২৩ সালের ১০০% বিদ্যুতায়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: 'শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ'—এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগের শাসনামলে পঞ্চগড় সদর উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ২০০৬ সালে যেখানে জেলার মাত্র ৪৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের সুবিধা পেতো, সেখানে বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্প ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নিরলস পরিশ্রমে আজ শতভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। ২০০৯-২০২৪ সালের এই অভাবনীয় অগ্রযাত্রার ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান যেমন উন্নত হয়েছে, তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প ও কৃষিখাতে ব্যাপক গতিশীলতা এসেছে। সরকারের এই সুনির্দিষ্ট উন্নয়নের ফলে সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রাম আজ রাতের আঁধার দূর করে আলোকিত ও আধুনিক জনপদে পরিণত হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় মেগাপ্রকল্প - ডুয়েলগেজ রেল নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনের দৃষ্টিনন্দন ছবি। আধুনিক একটি আন্তঃনগর ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো যাত্রীদের চিত্র এবং ইনফোগ্রাফিকে প্রাক্কালিত ব্যয় ও রেল সম্প্রসারণ মেগাপ্রকল্পের তথ্য। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে রেলওয়ে খাতে। ২০০৮ সালের আগে ঢাকার সাথে পঞ্চগড়ের কোনো সরাসরি ট্রেন ছিল না। বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্পের আওতায় ১৩২ কিলোমিটার রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা ও রাজশাহীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা প্রাক্কালিত ব্যয়ের আরেকটি মেগাপ্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগের এই বৈপ্লবিক অগ্রযাত্রা সদর উপজেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
কৃষি রূপান্তর - সমতলে চা শিল্পের নীরব বিপ্লব ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড়ের সমতল ভূমির দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা বাগান। নারী চা-শ্রমিকেরা পিঠে ঝুড়ি নিয়ে চা পাতা তুলছেন। ইনফোগ্রাফিকে চা উৎপাদনে ২৮০ কোটি টাকা আয়ের বিশাল ডেটা দেখানো হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পঞ্চগড় সদর উপজেলাসহ পুরো জেলায় কৃষিক্ষেত্রে এক নীরব বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে সমতলে চা চাষের মাধ্যমে। গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই শিল্পের আকাশচুম্বী প্রসার ঘটেছে। ২০০৬ সালে যেখানে চা বাগানের জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯২৫ একর, বর্তমান সরকারের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতায় তা আজ ১২ হাজার ৭৯ একরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে এই খাত থেকে বছরে প্রায় ২৮০ কোটি টাকা আয় হচ্ছে এবং হাজার হাজার মানুষের, বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিখাতে এই অভাবনীয় মেগাউন্নয়নের ফলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাধারণ কৃষকদের ভাগ্য বদলে গেছে এবং অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
ডিজিটাল রূপান্তর - ক্যাশলেস ইউনিয়ন পরিষদ সেবা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে একজন কৃষক বা সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে (বিকাশ/নগদ) ফি পরিশোধ করে জন্মনিবন্ধন বা প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার হাসিমুখের ছবি। ইনফোগ্রাফিকে স্মার্ট বাংলাদেশের লোগো রয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) পঞ্চগড় সদর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে অভূতপূর্ব ডিজিটাল রূপান্তর ঘটেছে। দেশের প্রথম সারির জেলা হিসেবে পঞ্চগড়ের ৪৩টি ইউনিয়ন পরিষদে সম্পূর্ণ 'ক্যাশলেস ইউপি সেবা সিস্টেম' চালু হয়েছে। এই অভাবনীয় উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ এখন ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিকত্ব সনদ, ভূমিহীন সনদ ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারছেন। এই ডিজিটাল প্রকল্পের ফলে সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে এবং দুর্নীতি ও হয়রানি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এটি বর্তমান সরকারের সুশাসন ও প্রযুক্তিগত মেগাপ্রকল্পগুলোর একটি অত্যন্ত সফল দৃষ্টান্ত।
ভৌত অবকাঠামো - পাকা সড়ক ও সেতু নির্মাণ ভিজ্যুয়াল বিবরণ: গ্রামীণ ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আধুনিক পাকা রাস্তা ও নতুন ব্রিজ/কালভার্টের ছবি, যার ওপর দিয়ে বাস ও কৃষিপণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করছে। ইনফোগ্রাফিকে গত ১৫ বছরে নির্মিত সড়কের দৈর্ঘ্য ও ব্রিজের সংখ্যা দেওয়া আছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: ২০০৯-২০২৪ মেয়াদে আওয়ামী লীগের শাসনামলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভৌত অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিশাল মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে এই ১৫ বছরে প্রায় এক হাজার ৯৬ কিলোমিটার সড়ক পাকা করা হয়েছে এবং ৪৯২টি নতুন ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মিত হয়েছে। এশিয়ান হাইওয়ের কাজ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এত বিপুল প্রাক্কালিত ব্যয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের সাথে শহরের যোগাযোগ অত্যন্ত সহজ ও দ্রুত হয়েছে। কৃষকরা এখন খুব সহজেই তাদের উৎপাদিত পণ্য শহরের বাজারে বা দেশের অন্য স্থানে পাঠাতে পারছেন, যা সরাসরি গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে বিরাট ভূমিকা রাখছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় মেগাপ্রকল্প - ডুয়েলগেজ রেল নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনের দৃষ্টিনন্দন ছবি। আধুনিক একটি আন্তঃনগর ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো যাত্রীদের চিত্র এবং ইনফোগ্রাফিকে প্রাক্কালিত ব্যয় ও রেল সম্প্রসারণ মেগাপ্রকল্পের তথ্য। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে রেলওয়ে খাতে। ২০০৮ সালের আগে ঢাকার সাথে পঞ্চগড়ের কোনো সরাসরি ট্রেন ছিল না। বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্পের আওতায় ১৩২ কিলোমিটার রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা ও রাজশাহীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা প্রাক্কালিত ব্যয়ের আরেকটি মেগাপ্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগের এই বৈপ্লবিক অগ্রযাত্রা সদর উপজেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
কৃষি রূপান্তর - সমতলে চা শিল্পের নীরব বিপ্লব ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড়ের সমতল ভূমির দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা বাগান। নারী চা-শ্রমিকেরা পিঠে ঝুড়ি নিয়ে চা পাতা তুলছেন। ইনফোগ্রাফিকে চা উৎপাদনে ২৮০ কোটি টাকা আয়ের বিশাল ডেটা দেখানো হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পঞ্চগড় সদর উপজেলাসহ পুরো জেলায় কৃষিক্ষেত্রে এক নীরব বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে সমতলে চা চাষের মাধ্যমে। গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই শিল্পের আকাশচুম্বী প্রসার ঘটেছে। ২০০৬ সালে যেখানে চা বাগানের জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯২৫ একর, বর্তমান সরকারের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতায় তা আজ ১২ হাজার ৭৯ একরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে এই খাত থেকে বছরে প্রায় ২৮০ কোটি টাকা আয় হচ্ছে এবং হাজার হাজার মানুষের, বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিখাতে এই অভাবনীয় মেগাউন্নয়নের ফলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাধারণ কৃষকদের ভাগ্য বদলে গেছে এবং অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় মেগাপ্রকল্প - ডুয়েলগেজ রেল নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনের দৃষ্টিনন্দন ছবি। আধুনিক একটি আন্তঃনগর ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো যাত্রীদের চিত্র এবং ইনফোগ্রাফিকে প্রাক্কালিত ব্যয় ও রেল সম্প্রসারণ মেগাপ্রকল্পের তথ্য। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে রেলওয়ে খাতে। ২০০৮ সালের আগে ঢাকার সাথে পঞ্চগড়ের কোনো সরাসরি ট্রেন ছিল না। বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্পের আওতায় ১৩২ কিলোমিটার রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা ও রাজশাহীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা প্রাক্কালিত ব্যয়ের আরেকটি মেগাপ্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগের এই বৈপ্লবিক অগ্রযাত্রা সদর উপজেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
ভৌত অবকাঠামো - পাকা সড়ক ও সেতু নির্মাণ ভিজ্যুয়াল বিবরণ: গ্রামীণ ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আধুনিক পাকা রাস্তা ও নতুন ব্রিজ/কালভার্টের ছবি, যার ওপর দিয়ে বাস ও কৃষিপণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করছে। ইনফোগ্রাফিকে গত ১৫ বছরে নির্মিত সড়কের দৈর্ঘ্য ও ব্রিজের সংখ্যা দেওয়া আছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: ২০০৯-২০২৪ মেয়াদে আওয়ামী লীগের শাসনামলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভৌত অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিশাল মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে এই ১৫ বছরে প্রায় এক হাজার ৯৬ কিলোমিটার সড়ক পাকা করা হয়েছে এবং ৪৯২টি নতুন ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মিত হয়েছে। এশিয়ান হাইওয়ের কাজ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এত বিপুল প্রাক্কালিত ব্যয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের সাথে শহরের যোগাযোগ অত্যন্ত সহজ ও দ্রুত হয়েছে। কৃষকরা এখন খুব সহজেই তাদের উৎপাদিত পণ্য শহরের বাজারে বা দেশের অন্য স্থানে পাঠাতে পারছেন, যা সরাসরি গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে বিরাট ভূমিকা রাখছে।
ডিজিটাল রূপান্তর - ক্যাশলেস ইউনিয়ন পরিষদ সেবা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে একজন কৃষক বা সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে (বিকাশ/নগদ) ফি পরিশোধ করে জন্মনিবন্ধন বা প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার হাসিমুখের ছবি। ইনফোগ্রাফিকে স্মার্ট বাংলাদেশের লোগো রয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) পঞ্চগড় সদর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে অভূতপূর্ব ডিজিটাল রূপান্তর ঘটেছে। দেশের প্রথম সারির জেলা হিসেবে পঞ্চগড়ের ৪৩টি ইউনিয়ন পরিষদে সম্পূর্ণ 'ক্যাশলেস ইউপি সেবা সিস্টেম' চালু হয়েছে। এই অভাবনীয় উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ এখন ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিকত্ব সনদ, ভূমিহীন সনদ ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারছেন। এই ডিজিটাল প্রকল্পের ফলে সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে এবং দুর্নীতি ও হয়রানি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এটি বর্তমান সরকারের সুশাসন ও প্রযুক্তিগত মেগাপ্রকল্পগুলোর একটি অত্যন্ত সফল দৃষ্টান্ত।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় মেগাপ্রকল্প - ডুয়েলগেজ রেল নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনের দৃষ্টিনন্দন ছবি। আধুনিক একটি আন্তঃনগর ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো যাত্রীদের চিত্র এবং ইনফোগ্রাফিকে প্রাক্কালিত ব্যয় ও রেল সম্প্রসারণ মেগাপ্রকল্পের তথ্য। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় গত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে রেলওয়ে খাতে। ২০০৮ সালের আগে ঢাকার সাথে পঞ্চগড়ের কোনো সরাসরি ট্রেন ছিল না। বর্তমান সরকারের মেগাপ্রকল্পের আওতায় ১৩২ কিলোমিটার রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা ও রাজশাহীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা প্রাক্কালিত ব্যয়ের আরেকটি মেগাপ্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগের এই বৈপ্লবিক অগ্রযাত্রা সদর উপজেলার আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভিজ্যুয়াল বিবরণ: প্রাচীন ভিতরগড়ের দুর্গ, পুরনো আমলের স্থাপত্য এবং ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘীর আবহ সম্বলিত একটি কোলাজ ছবি, যা ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সুপ্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী। ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীনকালে এই জনপদটি প্রাগজ্যোতিষ, কামরূপ ও পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে এটি কোচবিহার রাজ্যের অধীনে শাসিত হয়েছে। 'পঞ্চগড়' নামের পটভূমি নিয়ে জানা যায় যে, একসময় এই অঞ্চলে পাঁচটি বিখ্যাত 'গড়' বা দুর্গ ছিল— ভিতরগড়, মিরগড়, হোসেনগড়, রাজনগড় ও দেবনগড়। এই ৫টি গড়ের নাম অনুসারেই এলাকাটির নামকরণ হয় পঞ্চগড়। আধুনিক প্রশাসনিক ইতিহাসে, ১৯৮০ সালে পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, বোদা, দেবীগঞ্জ ও আটোয়ারী থানাকে নিয়ে 'পঞ্চগড় মহকুমা' গঠিত হয়, যা ১৯৮৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এই উপজেলার বুক জুড়ে লুকিয়ে আছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি ও ইতিহাস।
ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পঞ্চগড় জেলার একটি আকর্ষণীয় মানচিত্র, যেখানে সদর উপজেলাকে হাইলাইট করা হয়েছে। পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদী এবং চা বাগানের আইকন দিয়ে ম্যাপটিকে জীবন্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: বাংলাদেশের মানচিত্রের একেবারে উত্তর প্রান্তে অবস্থিত হিমালয়কন্যা খ্যাত পঞ্চগড় জেলার প্রাণকেন্দ্র হলো পঞ্চগড় সদর উপজেলা। পঞ্চগড় জেলার মোট আয়তন ১৪০৪.৬৩ বর্গকিলোমিটার, যার একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অংশ জুড়ে এই সদর উপজেলা। এই উপজেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে বোদা উপজেলা, পূর্বে জলপাইগুড়ি (ভারত) এবং পশ্চিমে আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া উপজেলা অবস্থিত। সদর উপজেলাটি অমরখানা, ধাক্কামারা, জগদলসহ মোট ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এর কোল ঘেঁষে বয়ে গেছে করতোয়া, তালমা ও চাওয়াই নদীর মতো অসংখ্য নদ-নদী। বৈচিত্র্যময় এই জনপদে সমতলের মানুষের পাশাপাশি অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীও অত্যন্ত সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে, যা এর ভৌগোলিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভিজ্যুয়াল বিবরণ: প্রাচীন ভিতরগড়ের দুর্গ, পুরনো আমলের স্থাপত্য এবং ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘীর আবহ সম্বলিত একটি কোলাজ ছবি, যা ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সুপ্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী। ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীনকালে এই জনপদটি প্রাগজ্যোতিষ, কামরূপ ও পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে এটি কোচবিহার রাজ্যের অধীনে শাসিত হয়েছে। 'পঞ্চগড়' নামের পটভূমি নিয়ে জানা যায় যে, একসময় এই অঞ্চলে পাঁচটি বিখ্যাত 'গড়' বা দুর্গ ছিল— ভিতরগড়, মিরগড়, হোসেনগড়, রাজনগড় ও দেবনগড়। এই ৫টি গড়ের নাম অনুসারেই এলাকাটির নামকরণ হয় পঞ্চগড়। আধুনিক প্রশাসনিক ইতিহাসে, ১৯৮০ সালে পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, বোদা, দেবীগঞ্জ ও আটোয়ারী থানাকে নিয়ে 'পঞ্চগড় মহকুমা' গঠিত হয়, যা ১৯৮৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এই উপজেলার বুক জুড়ে লুকিয়ে আছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি ও ইতিহাস।
একনজরে ভ্রমণ তথ্য ও দর্শনীয় স্থান ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত মহারাজার দিঘী, রকস মিউজিয়ামের কিছু পাথরের সংগ্রহ এবং মনোরম ডাকবাংলোর একটি সুন্দর ভ্রমণ কোলাজ ছবি। সাথে বাসের ও ট্রেনের ছোট একটি যাতায়াত ইনফোগ্রাফিক। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলা পর্যটকদের জন্য এক অনন্য আকর্ষণ। রাজধানী ঢাকা থেকে বাস বা আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেনে (যেমন- পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস) সরাসরি পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশনে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়। পর্যটকদের থাকার জন্য সদর উপজেলায় সরকারি ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ এবং বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। সদর উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে ১নং অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত প্রাচীন 'ভিতরগড়' এবং সুবিশাল 'মহারাজার দিঘী' ইতিহাসপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে ধাক্কামারা ইউনিয়নে রয়েছে ঐতিহাসিক 'মিরগড়'। এছাড়াও পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠা ব্যতিক্রমধর্মী পাথরের জাদুঘর বা 'রকস মিউজিয়াম' পর্যটকদের জন্য একটি চমৎকার ও শিক্ষণীয় ভ্রমণ স্থান।
একনজরে ভ্রমণ তথ্য ও দর্শনীয় স্থান ভিজ্যুয়াল বিবরণ: পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত মহারাজার দিঘী, রকস মিউজিয়ামের কিছু পাথরের সংগ্রহ এবং মনোরম ডাকবাংলোর একটি সুন্দর ভ্রমণ কোলাজ ছবি। সাথে বাসের ও ট্রেনের ছোট একটি যাতায়াত ইনফোগ্রাফিক। বিস্তারিত ক্যাপশন: পঞ্চগড় সদর উপজেলা পর্যটকদের জন্য এক অনন্য আকর্ষণ। রাজধানী ঢাকা থেকে বাস বা আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেনে (যেমন- পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস) সরাসরি পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশনে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়। পর্যটকদের থাকার জন্য সদর উপজেলায় সরকারি ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ এবং বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। সদর উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে ১নং অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত প্রাচীন 'ভিতরগড়' এবং সুবিশাল 'মহারাজার দিঘী' ইতিহাসপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে ধাক্কামারা ইউনিয়নে রয়েছে ঐতিহাসিক 'মিরগড়'। এছাড়াও পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠা ব্যতিক্রমধর্মী পাথরের জাদুঘর বা 'রকস মিউজিয়াম' পর্যটকদের জন্য একটি চমৎকার ও শিক্ষণীয় ভ্রমণ স্থান।