বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায়

নীলফামারী ডিমলা উপজেলা

ডিজিটাল আর্কাইভে স্বাগতম

"নীলফামারী ডিমলা" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা

গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা
গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় ভৌত অবকাঠামো, কৃষি, শিক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। একসময়ের অবহেলিত এই সীমান্তবর্তী উপজেলাটি এখন যোগাযোগ ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
(ক) মেগাপ্রকল্প – ভৌত অবকাঠামো ও যোগাযোগ: এলজিইডির (LGED) অধীনে রুরাল কানেকটিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (RCIP)-এর আওতায় গত ১৫ বছরে অভূতপূর্ব ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, খগাখড়িবাড়ী ইউপি অফিস থেকে পূর্ব ছাতনাই ইউপি অফিস পর্যন্ত ২.৮৩৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ২৮১.৩৫ লক্ষ টাকা এবং জিল্লাই নিজ পাড়া থেকে শালহাটি বাজার পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ১৬৮.৩২ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে [source text="Project Scheme Deatils"]

(খ) ডিমলা মেগাপ্রকল্প – মেগাব্রিজ ও গ্রোথ সেন্টার নির্মাণ:

গ্রামীণ যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে নউতারা নদীর ওপর খগাখড়িবাড়ীতে ৫১৩.৯০ লক্ষ টাকা বিশাল ব্যয়ে একটি ৬০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে  । এছাড়া স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা করতে শুটিবাড়ী হাট গ্রোথ সেন্টারটি ১৩১.৭২ লক্ষ টাকা এবং ঠাকুরগঞ্জ হাট ১০১.৬২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে [source link="Project Scheme Deatils"]

(গ) ডিমলা স্মার্ট শিক্ষা (শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব):

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প’-এর আওতায় ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অত্যাধুনিক ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে নউতারা আবেউন্নেছা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ছাতনাই কলোনি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, খগা খড়িবাড়ী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং ছোটখাতা ফাজিল মাদ্রাসা অন্যতম 

(ঘ) ডিমলা গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (কাবিটা/টিআর):

গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা ও টিআর) কর্মসূচির আওতায় ডিমলা উপজেলায় আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে ৬২টি টিআর এবং ১৭টি কাবিটা প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে  
 এই জেলা নিয়ে আমার বাংলাদেশের গবেষণা ও তথ্যসুত্র দেখুন এখানে  Nilphamari District

 

নীলফামারী জেলার  ডিমলা উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার আরও তথ্য শীঘ্রই আপডেট করা হচ্ছে।

একনজরে "নীলফামারী ডিমলা" এর ভ্রমণ তথ্য

একনজরে ভ্রমণ তথ্য ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা একটি অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথের মাধ্যমে এখানে আসা যায়।
এই উপজেলার প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ, যা ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত  
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর তিস্তার কৃত্রিম জলরাশি এবং বনায়ন পর্যটকদের মুগ্ধ করে; বিশেষ করে শীতকালে এখানে প্রচুর অতিথি পাখির আগমন ঘটে  । এছাড়া ইতিহাস অনুরাগী পর্যটকদের জন্য রয়েছে প্রাচীন ডিমলা রাজবাড়ী, ডিমলা বন এবং ঐতিহাসিক বালাপাড়া গণকবর  

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা ভৌগোলিক দিক থেকে ডিমলা উপজেলা বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
এর মোট আয়তন ৩২৬.৮০ বর্গকিলোমিটার (বা ১২৬.১৮ বর্গমাইল)  । এই উপজেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলা, পূর্বে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলা, দক্ষিণে জলঢাকা উপজেলা এবং পশ্চিমে ডোমার উপজেলা অবস্থিত  
প্রশাসনিকভাবে এটি ১০টি ইউনিয়ন (পশ্চিম ছাতনাই, বালাপাড়া, ডিমলা, খগাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, নাউতারা, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, টেপাখড়িবাড়ী ও পূর্ব ছাতনাই) নিয়ে গঠিত  । ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এর জনসংখ্যা ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৩৮ জন। এর পূর্ব দিক দিয়ে তিস্তা নদী, মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে নাউতারা নদী এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে বুড়ি তিস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে  

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ইতিহাস ও ঐতিহ্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকে ডিমলা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ‘ডিমলা’ নামের উৎপত্তি নিয়ে বেশ কয়েকটি জনশ্রুতি রয়েছে।

 

সবচেয়ে প্রচলিত মতটি হলো, একসময় তিলস্নাই বিলে অসংখ্য অতিথি পাখি আসত এবং ডিম পাড়ত। এই পাখির ডিমের প্রাচুর্য থেকে লোকমুখে ‘ডিম তিল্লাই’ থেকে অপভ্রংশ হয়ে ‘ডিমলা’ নামের উদ্ভব ঘটে    

 

ঐতিহাসিকভাবে ১৯৪৬-৪৭ সালের মহান তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল এই ডিমলা উপজেলা। তন্বারায়ন রায় এবং জামশেদ আলী চাটির নেতৃত্বে এই অঞ্চলে প্রবল কৃষক আন্দোলন গড়ে ওঠে, যেখানে তন্বারায়ন রায় শহীদ হন    

 

এছাড়া ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ উপাখ্যানের ঐতিহাসিক চরিত্র নুরলদীনের পদচারণাও ছিল এই ডিমলায়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শটিবাড়ি, খগা ও ঠাকুরগঞ্জে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল লড়াই হয়  

🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

স্লাইড ১ (উন্নয়ন প্রকল্প - তিস্তা সেচ প্রকল্প আধুনিকায়ন): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের দৃশ্যপটে তিস্তা ব্যারেজ এবং সেচ খালের একটি চমৎকার ও জীবন্ত ছবি দেওয়া হয়েছে। খালের পানি দিয়ে কৃষকরা তাদের বিস্তীর্ণ ভুট্টার ক্ষেতে সেচ দিচ্ছেন। ক্যাপশন: বিগত ১৫ বছরের (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ শাসনামলে ডিমলা উপজেলার কৃষিতে বিপ্লব এনেছে দেশের সর্ববৃহৎ 'তিস্তা সেচ প্রকল্প'-এর আধুনিকায়ন। সরকারি প্রণোদনা এবং সেচ সুবিধা বৃদ্ধির ফলে এই অঞ্চলের কৃষকরা এখন ব্যাপকভাবে লাভজনক ভুট্টা, আদা, রসুন ও মরিচের আবাদ করছেন। স্লাইডটিতে ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে কৃষিখাতে সরকারের প্রাক্কলিত ভর্তুকি, সেচ ক্যানেলের দৈর্ঘ্য এবং এর ফলে লাখো কৃষকের অর্জিত বাড়তি আয়ের পরিসংখ্যানগত ডেটা অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে।

স্লাইড ২ (উন্নয়ন প্রকল্প - ভৌত অবকাঠামো ও গ্রামীণ সড়ক): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডটিতে ডিমলা উপজেলার সদ্য নির্মিত একটি মজবুত পাকা সড়ক এবং খালের ওপর নির্মিত আধুনিক আরসিসি ড্রেনের ছবি দেওয়া হয়েছে। যানবাহন ও মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের একটি জীবন্ত দৃশ্য ফুটে উঠেছে। ক্যাপশন: একটি উন্নত ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থাই গ্রামীণ অর্থনীতির মূল ভিত্তি। বিগত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ডিমলার ভৌত অবকাঠামো খাতে বিশাল উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এলজিইডি (LGED)-এর অধীনে খগাখড়িবাড়ী থেকে পূর্ব ছাতনাই পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক ২৮১.৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এবং ডিমলা নিজ পাড়া থেকে শালহাটি বাজার পর্যন্ত সড়ক ১৬৮.৩২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকটিতে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে মোট প্রাক্কলিত ব্যয়, পাকা সড়কের দৈর্ঘ্য এবং কৃষকদের যাতায়াত সাশ্রয়ের ডেটা তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ৩ (উন্নয়ন প্রকল্প - নউতারা নদীর ওপর মেগাব্রিজ): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে নউতারা নদীর ওপর নির্মিত ৬০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজের একটি দৃষ্টিনন্দন ছবি রয়েছে। ব্রিজের ওপর দিয়ে সাধারণ মানুষ ও পণ্যবাহী যান চলাচল করছে। ক্যাপশন: নদীমাতৃক ডিমলায় যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নির্বিঘ্ন করতে আওয়ামী লীগ সরকারের (২০০৯-২০২৪) অন্যতম বড় মেগাপ্রকল্প হলো খগাখড়িবাড়ী ইউপি অফিস সংলগ্ন নউতারা নদীর ওপর একটি বিশাল আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ। ৫১৩.৯০ লক্ষ টাকার বিশাল প্রাক্কলিত ব্যয়ে নির্মিত ৬০ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করেছে। স্লাইডটিতে ইনফোগ্রাফিক ব্যবহারের মাধ্যমে এই মেগাব্রিজ নির্মাণের সময়কাল, সরকারের আর্থিক বরাদ্দ এবং এর ফলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে সৃষ্ট ইতিবাচক প্রভাবের বিস্তারিত ডেটা চমৎকারভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।

স্লাইড ৪ (উন্নয়ন প্রকল্প - গ্রোথ সেন্টার ও গ্রামীণ বাজার আধুনিকায়ন): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডটিতে শুটিবাড়ী ও ঠাকুরগঞ্জ হাটের আধুনিক এবং ব্যস্ত বাজারের চিত্র দেখানো হয়েছে। নতুন শেডের নিচে কৃষকরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করছেন। ক্যাপশন: গ্রামীণ বাণিজ্যকে গতিশীল করতে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডিমলার বেশ কয়েকটি গ্রোথ সেন্টার ও হাটবাজার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শুটিবাড়ী হাট গ্রোথ সেন্টার, যা ১৩১.৭২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এবং ঠাকুরগঞ্জ হাট, যা ১০১.৬২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উন্নত করা হয়েছে। কাঁচাবাজারের শেড, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পাকা রাস্তা নির্মাণের ফলে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হয়েছে। এই স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকে বাজার উন্নয়নে সরকারের ব্যয় এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের পণ্য বিক্রিতে অর্জিত সুবিধার ডেটা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ৫ (উন্নয়ন প্রকল্প - স্মার্ট শিক্ষা ও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: এই স্লাইডটিতে ডিমলার একটি বিদ্যালয়ের অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাবের চিত্র দেখানো হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সাথে কম্পিউটার ও কোডিং শিখছে। এটি প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার জীবন্ত রূপ। ক্যাপশন: 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' থেকে 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার ভিশন বাস্তবায়নে ২০০৯-২০২৪ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প' ডিমলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়েছে। নউতারা আবেউন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, ছাতনাই কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় এবং ছোটখাতা ফাজিল মাদ্রাসাসহ অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই মেগাপ্রকল্পের আওতায় আধুনিক আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। স্লাইডের ইনফোগ্রাফিক অংশে প্রতিটি ল্যাব স্থাপনের ব্যয়, সময়কাল এবং এর ফলে উপকৃত হওয়া হাজারো গ্রামীণ শিক্ষার্থীর প্রযুক্তিজ্ঞানে দক্ষ হওয়ার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান চিত্রায়িত করা হয়েছে।

স্লাইড ৬ (উন্নয়ন প্রকল্প - তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি ক্লিনিক): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডে একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন গ্রামীণ কমিউনিটি ক্লিনিকের দৃশ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা হাসিমুখে স্থানীয় মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। ক্যাপশন: বিগত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো অভাবনীয় ভূমিকা পালন করছে। ডিমলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে স্থাপিত ক্লিনিকগুলোতে বর্তমানে বিনামূল্যে ২৭ প্রকারের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। মাতৃমৃত্যু রোধে নিরাপদ প্রসব সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন যুক্ত হয়েছে। এই ইনফোগ্রাফিক স্লাইডটিতে স্বাস্থ্যখাতে সরকারের মোট প্রাক্কলিত বাজেট, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী রোগীর ডেটা এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিশুমৃত্যু হ্রাসের সফলতার সুস্পষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ৭ (উন্নয়ন প্রকল্প - শতভাগ বিদ্যুতায়ন): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডটিতে নীল আকাশের পটভূমিতে বৈদ্যুতিক তারের লাইন এবং একটি আলোকিত গ্রামীণ বাজার ও বাড়ির সন্ধ্যার ছবি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের আলোয় মানুষের জীবন কতটা স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে, তা ছবিতে স্পষ্ট। ক্যাপশন: ২০০৯ সালের পূর্বে ডিমলা উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও গ্রামগুলো ছিল বিদ্যুৎবিহীন। গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের বিদ্যুতায়ন মেগাপ্রকল্পের কারণে এই উপজেলা আজ শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে নতুন নতুন সাবস্টেশন ও সঞ্চালন লাইন স্থাপনের ফলে প্রত্যন্ত গ্রামেও এখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে, যা কৃষি সেচ ও ক্ষুদ্র শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এই স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকে বিগত ১৫ বছরে বিদ্যুতায়নে সরকারের মোট প্রাক্কলিত ব্যয়, স্থাপিত নতুন বিদ্যুৎ লাইনের কিলোমিটার সংখ্যা এবং উপকৃত হওয়া লাখো গ্রাহকের সুস্পষ্ট ডেটা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্লাইড ৮ (উন্নয়ন প্রকল্প - কাবিটা/টিআর ও গ্রামীণ সংস্কার): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডটিতে সদ্য সংস্কার হওয়া একটি গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা এবং উপকারভোগীদের হাতে সরকারি চেক বিতরণের একটি কোলাজ ছবি রয়েছে, যা সরাসরি গ্রামীণ উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি। ক্যাপশন: গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আওয়ামী লীগ সরকারের (২০০৯-২০২৪) 'কাবিটা' (কাজের বিনিময়ে টাকা) ও 'টিআর' (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্প ডিমলায় ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। শুধুমাত্র ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়েই ৬২টি টিআর এবং ১৭টি কাবিটা প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। এই মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কার এবং হতদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ, বাস্তবায়িত প্রকল্পের সংখ্যা এবং এর ফলে উপকৃত তৃণমূল মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ৯ (উন্নয়ন প্রকল্প - মডেল মসজিদ ও সামাজিক সুরক্ষা): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের দৃশ্যপটে নীল আকাশের নিচে একটি দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ এবং বয়স্ক ভাতা গ্রহণকারী একজন হাস্যোজ্জ্বল গ্রামীণ নারীর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ক্যাপশন: ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার এবং প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষায় আওয়ামী লীগ সরকারের (২০০৯-২০২৪) অর্জন ঈর্ষণীয়। ডিমলা উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতার আওতা বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে যেখানে গুটিকয়েক মানুষ এই সুবিধা পেত, বর্তমানে তা যোগ্য মানুষের শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করেছে। এই স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকে মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয়, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিতরিত কোটি কোটি টাকার সরকারি অনুদান এবং গত ১৫ বছরে সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের মোট বাজেটের সুস্পষ্ট ডেটা তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ১০ (ভ্রমণ ও দর্শনীয় স্থান): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে তিস্তা ব্যারেজের স্নিগ্ধ প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং শীতের সকালে উড়ে আসা অতিথি পাখির ঝাঁকের একটি সুন্দর কোলাজ তৈরি করা হয়েছে, যা পর্যটকদের ভীষণভাবে আকর্ষণ করে। ক্যাপশন: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা একটি চমৎকার গন্তব্য। এর প্রধান আকর্ষণ হলো দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প 'তিস্তা ব্যারেজ', যা ডিমলা ও লালমনিরহাট সীমান্তে অবস্থিত। ব্যারেজের উজানে কৃত্রিম জলরাশি, বনায়ন এবং পাথরে বাঁধানো পাড় এক মনোরম পরিবেশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে শীতকালে এখানে প্রচুর অতিথি পাখির সমাগম ঘটে, যা পর্যটক ও আলোকচিত্রীদের মুগ্ধ করে। এছাড়া ইতিহাস অনুরাগী পর্যটকদের জন্য রয়েছে প্রাচীন ডিমলা রাজবাড়ী ও ডিমলা ফরেস্ট। স্লাইডের ইনফোগ্রাফিকে যাতায়াতের মাধ্যম, ঢাকা থেকে দূরত্ব এবং প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলোর অবস্থান ম্যাপের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।

স্লাইড ১১ (ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডটিতে ডিমলা উপজেলার একটি সুন্দর ও বিস্তারিত ইনফোগ্রাফিক মানচিত্র দেওয়া হয়েছে। মানচিত্রে ১০টি ইউনিয়নের সীমানা, তিস্তা ও বুড়ি তিস্তা নদীর গতিপথ এবং আশপাশের উপজেলাগুলোর অবস্থান বিভিন্ন রঙে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ক্যাপশন: ডিমলা উপজেলা নীলফামারী জেলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্তর সীমান্তবর্তী অঞ্চল, যার মোট আয়তন ৩২৬.৮০ বর্গকিলোমিটার। এর উত্তরে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলা, দক্ষিণে জলঢাকা, পূর্বে হাতীবান্ধা এবং পশ্চিমে ডোমার উপজেলা। ডিমলা ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এবং এর জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৩৮ জন। এই উপজেলার পূর্ব দিক দিয়ে প্রমত্তা তিস্তা নদী এবং পশ্চিম দিক দিয়ে বুড়ি তিস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই স্লাইডে ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ, প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৮৭০ জন জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং নদী বিধৌত উর্বর সমতল ভূ-প্রকৃতির বিস্তারিত পরিসংখ্যান চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

স্লাইড ১২ (ইতিহাস ও ঐতিহ্য): ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের একটি দৃষ্টিনন্দন ইলাস্ট্রেশন এবং স্মৃতি অম্লান সৌধের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই অঞ্চলের সংগ্রামী ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। ক্যাপশন: ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক দিয়ে ডিমলা অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল একটি জনপদ। নামকরণের ক্ষেত্রে জনশ্রুতি আছে, একসময় তিলস্নাই বিলে অসংখ্য অতিথি পাখি আসত এবং ডিম পাড়ত, যা থেকে 'ডিমলা' নামের উদ্ভব। ডিমলার সবচেয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা হলো ১৯৪৬-৪৭ সালের মহান 'তেভাগা আন্দোলন'। এই আন্দোলনে তন্বারায়ন রায় ও জামশেদ আলী চাটির সাহসী নেতৃত্ব এবং তন্বারায়নের আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বিখ্যাত চরিত্র 'নুরলদীন'-এর স্মৃতিও জড়িয়ে আছে এই ডিমলায়। স্লাইডটিতে এই ঐতিহাসিক পটভূমি, নামকরণের মিথ এবং তেভাগা আন্দোলনের বীরত্বগাথা ইনফোগ্রাফিকের সাহায্যে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

৪.৮

১০৫ জনমত

উন্নয়ন কেমন দেখছেন?