বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায়

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা

ডিজিটাল আর্কাইভে স্বাগতম

"হবিগঞ্জ সদর" উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ডিরেক্টরি
১. গত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা: আওয়ামী লীগের শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ভৌত অবকাঠামো, মেগাপ্রকল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে:
  • (ক) মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: এই উপজেলায় একটি ‘বি-ক্যাটাগরি’ ভুক্ত ৩ তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে  । এই মেগাপ্রকল্পে নারী ও পুরুষদের আলাদা নামাজের স্থান, লাইব্রেরি, ইমামদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, অটিজম কর্নার এবং হজযাত্রীদের নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে  

 

  • (খ) আশ্রয়ণ প্রকল্প (ভূমিহীনদের ঘর): ‘আশ্রয়ণ-২’ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুই শতক জমির মালিকানাসহ আধা-পাকা ঘর (২টি শোবার ঘর, রান্নাঘর, টয়লেট ও বারান্দা) প্রদান করা হয়েছে  । টেকসই নির্মাণের লক্ষ্যে প্রতিটি ঘরের প্রাক্কালিত ব্যয় বৃদ্ধি করে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয় এবং ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে এই উপজেলাকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত’ ঘোষণা করা হয়   

 

  • (গ) তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা (কমিউনিটি ক্লিনিক আধুনিকায়ন): তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন করা হয়েছে, যেখানে ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও ৩২ ধরনের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে  । এর পাশাপাশি উপজেলায় ২টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১টি মাতৃ-শিশু কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে  

 

  • (ঘ) স্মার্ট শিক্ষা (শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব) ও কৃষির রূপান্তর: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষার আধুনিকায়নে ২০১৭ সালে ‘হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ’ এবং কৃষি খাতে গবেষণার জন্য ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে   

 

  • (ঙ) ভৌত অবকাঠামো, শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও সামাজিক উন্নয়ন: নূরপুর ইউনিয়নে স্থাপিত ‘হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’ এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় বয়স্ক ভাতা (৬২ ঊর্ধ্ব নারী ও ৬৫ ঊর্ধ্ব পুরুষদের জন্য) এবং বিধবা ভাতা ডিজিটালাইজড করা হয়েছে, যা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) যেমন- বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে এবং ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে   । এছাড়া রিচি, তেঘরিয়া ও গোপায়া ইউনিয়নে আরসিসি রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে  
গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অবকাঠামোগত বিবর্তনে ব্যাপক রূপান্তর ঘটেছে, যা মূলত একটি কৃষিভিত্তিক অঞ্চলকে আধুনিক, শিল্পায়িত এবং সুসংগঠিত কাঠামোর দিকে ধাবিত করেছে। এই বিবর্তনে ভৌত কাঠামো থেকে শুরু করে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের নানা দিক ফুটে উঠেছে:
হবিগঞ্জ সদরের অর্থনীতি শুধুমাত্র কৃষির ওপর নির্ভরশীল ছিল, কিন্তু নূরপুর ইউনিয়নে ‘হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (HIP)’ স্থাপনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের ভৌত ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে  
এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক গ্যাসের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে ওঠা এই পার্কটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শিল্পায়নের দিকে নিয়ে গেছে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে  
স্লাইড ১: হবিগঞ্জ সদর -ভাতার পরিমাণ ও পরিধি বৃদ্ধি ক্যাপশন: বয়স্ক (৬২/৬৫+ বছর) ও বিধবা ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় উন্নীতকরণ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ভাতা গ্রহণরত উপকারভোগীদের গ্রাফিক্যাল ডেটা এবং একজন বৃদ্ধা  প্রবীণ মানুষের হাসিমুখের ছবি। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার
২ . শিল্প অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক রূপান্তর: আশ্রয়ণ প্রকল্প – ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানা ক্যাপশন: ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ – আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে মাথা গোঁজার ঠাঁই। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: সারিবদ্ধ রঙিন ঘরের ছবি এবং সুবিধাভোগী মানুষের হাস্যোজ্জ্বল মুখের ছবি। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার
৩. গ্রামীণ যোগাযোগ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা: ‘বটম-আপ’ বা প্রান্তিক পর্যায় থেকে উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে  
রিচি, তেঘরিয়া এবং গোপায়া ইউনিয়নে আরসিসি (RCC) ও ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং (BFS) রাস্তা এবং কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, যা গ্রামীণ যোগাযোগকে অনেক সহজ করেছে  
পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা রোধে লুকরা ও লস্করপুর ইউনিয়নে আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম এবং আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে  
৪. জলবায়ু সহনশীল আবাসন (আশ্রয়ণ প্রকল্প): ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ‘আশ্রয়ণ-২’ প্রকল্পের ঘরগুলোর ডিজাইনে কাঠামোগত বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০২২ সালের তৃতীয় ধাপে এসে জলবায়ু সহনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি (RCC) পিলার ও গ্রেট-বিম ব্যবহার করে প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ১.৯ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২.৫৯ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়  
এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের আগস্টে উপজেলাটিকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত’ ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে  
৫. প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো (শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচারব্যবস্থা): ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা মেটাতে বেশ কিছু বৃহৎ অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসার প্রসারে ২০১৭ সালে ‘হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ’ এবং আধুনিক কৃষি গবেষণার জন্য ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে  । 
জেলা পর্যায়ে আইনি সেবা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ‘চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট’ ভবন নির্মিত হয়েছে  
এছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে  
৬ . ধর্মীয় অবকাঠামোর আধুনিকায়ন: দেশব্যাপী মডেল মসজিদ নির্মাণের মেগাপ্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ সদরে একটি ৩ তলা বিশিষ্ট ‘বি-ক্যাটাগরি’ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে  
এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং এতে লাইব্রেরি, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং অটিজম কর্নারের মতো আধুনিক কাঠামোগত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে  
এই উপজেলার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার আরও তথ্য শীঘ্রই আপডেট করা হচ্ছে।

একনজরে "হবিগঞ্জ সদর" এর ভ্রমণ তথ্য

২. একনজরে ভ্রমণ তথ্য:
  • কোথায় যাবেন/ দর্শনীয় স্থান: হবিগঞ্জ সদরের সবচেয়ে জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান হলো উচাইল গ্রামের ৮০০ বছরের পুরোনো ‘শংকরপাশা শাহী জামে মসজিদ’, যা সুলতান আলাউদ্দিন হুসাইন শাহের আমলে নির্মিত এবং এর লাল পোড়ামাটির নকশা পর্যটকদের মুগ্ধ করে   । এছাড়া মশাজানে অবস্থিত প্রাচীন দিঘি, বগলা মাতার মন্দির এবং হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়াম ঘুরে দেখা যায়   
  • যাতায়াত ব্যবস্থা ও থাকা: দেশের যেকোনো স্থান থেকে সড়কপথে বা রেলপথে (শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে) সহজেই হবিগঞ্জ সদরে পৌঁছানো যায় এবং থাকার জন্য শহরে উন্নতমানের হোটেল ও রেস্টহাউস রয়েছে  

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

৩. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
  • আয়তন ও ইউনিয়ন: এই উপজেলার মোট আয়তন ২৫৩.৭৪ বর্গ কিলোমিটার এবং এটি ১০টি ইউনিয়ন (গোপায়া, লস্করপুর, লুকরা, নিজামপুর, নূরপুর, পৈল, রাজিউরা, রিচি, শায়েস্তাগঞ্জ ও তেঘরিয়া) নিয়ে গঠিত  
  • জনসংখ্যা: ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৩,০৬,৭১৮ জন  
  • সীমানা: উপজেলাটির উত্তরে বানিয়াচং ও নবীগঞ্জ, দক্ষিণে চুনারুঘাট ও মাধবপুর, পূর্বে বাহুবল এবং পশ্চিমে লাখাই উপজেলা অবস্থিত  

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

৪. ইতিহাস ও ঐতিহ্য: সুলতানি আমলের বিখ্যাত সাধক সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হাবিব উল্লাহর নামানুসারে এই এলাকার নামকরণ করা হয় ‘হবিগঞ্জ’  । ১৮৯৩ সালে এটি প্রশাসনিক থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৪ সালে একে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়  । ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জ থানা ও বিদ্যুৎ ভবনের যুদ্ধ এই অঞ্চলের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ঘটনা  

৬. রেলযোগাযোগ অবকাঠামোর পতন (একটি বিপরীত চিত্র): এই ব্যাপক আধুনিকায়নের মধ্যেও অবকাঠামোগত বিবর্তনের একটি নেতিবাচক দিক হলো ঐতিহাসিক হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেললাইনের পতন
১৯২৮ সালে ব্রিটিশদের তৈরি করা এই লাইনটি ২০০৮ সালের পর থেকে কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে যায় এবং ১৬ বছরে এই রেলওয়ে অবকাঠামোর কোটি কোটি টাকার সম্পদ লুট বা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার শামিল  
পরিশেষে বলা যায়, ভৌত অবকাঠামো, মেগাপ্রকল্প এবং ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে হবিগঞ্জ সদরের এই বিবর্তন অভূতপূর্ব হলেও, ঐতিহাসিক রেললাইনের পতন এবং প্রান্তিক জেলে সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক ঝুঁকির মতো বিষয়গুলো প্রমাণ করে যে কাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই ব্যবস্থাপনাও সমান জরুরি  
উন্নয়ন প্রকল্প (স্লাইড ১-৯):
  • স্লাইড ১: হবিগঞ্জ সদর – ১৫ বছরের উন্নয়ন যাত্রা (২০০৯-২০২৪)
    • ক্যাপশন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) হবিগঞ্জ সদরের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চিত্র।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ব্যাকগ্রাউন্ডে স্থানীয় মানুষ এবং কৃষিক্ষেতের একটি কোলাজ ছবি, সাথে মোট উন্নয়নের একটি সামগ্রিক ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ২: মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
    • ক্যাপশন: ধর্ম চর্চা ও মূল্যবোধের বিকাশে ‘বি-ক্যাটাগরি’ মডেল মসজিদ নির্মাণ।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদের ছবি। ইনফোগ্রাফিকে উল্লেখ থাকবে ৯,৪৩৫ কোটি টাকা (জাতীয় প্রাক্কালিত ব্যয়) ও আধুনিক সুবিধাসমূহ।
  • স্লাইড ৩: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প – ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানা
    • ক্যাপশন: ভূমিহীন মুক্ত হবিগঞ্জ সদর – ২ শতক জমিসহ আধা-পাকা ঘর।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: রঙিন টিনের চালযুক্ত সারিবদ্ধ ঘর এবং সুবিধাভোগী মানুষের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ইনফোগ্রাফিকে উল্লেখ থাকবে প্রতি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা এবং ২০২৩ সালে ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণার তথ্য।
  • স্লাইড ৪: তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা – আধুনিক কমিউনিটি ক্লিনিক
    • ক্যাপশন: প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা – ৬ থেকে ১০ হাজার মানুষের জন্য একটি ক্লিনিক।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণরত গ্রামীণ মানুষের ছবি এবং ৩২ ধরনের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ৫: স্বাস্থ্য ও উচ্চ শিক্ষায় অগ্রগতি
    • ক্যাপশন: আধুনিক শিক্ষার প্রসারে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ছবি ও একটি শিক্ষা আইকনের ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ৬: গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন
    • ক্যাপশন: রিচি, তেঘরিয়া ও গোপায়া ইউনিয়নে আরসিসি রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: নতুন নির্মিত আরসিসি রাস্তা ও কালভার্টের ওপর দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের ছবি।
  • স্লাইড ৭: শিল্প ও অর্থনীতির নতুন দিগন্ত
    • ক্যাপশন: নূরপুর ইউনিয়নে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (HIP) স্থাপনের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কর্মরত শ্রমিকদের ছবি এবং কর্মসংস্থানের ডেটা ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ৮: স্মার্ট সোশ্যাল সেফটি নেট – ভাতা ডিজিটালাইজেশন
    • ক্যাপশন: বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইলে।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: বয়স্ক মানুষের হাতে মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (MFS) একটি ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ৯: ভাতার পরিমাণ ও পরিধি বৃদ্ধি
    • ক্যাপশন: বয়স্ক (৬২/৬৫+ বছর) ও বিধবা ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় উন্নীতকরণ।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ভাতা গ্রহণরত উপকারভোগীদের গ্রাফিক্যাল ডেটা এবং প্রবীণ মানুষের হাসিমুখের ছবি।
উপজেলার পরিচিতি (স্লাইড ১০-১২):
  • স্লাইড ১০: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা
    • ক্যাপশন: একনজরে হবিগঞ্জ সদর: ২৫৩.৭৪ বর্গ কিমি আয়তন, ১০টি ইউনিয়ন এবং ৩,০৬,৭১৮ জনসংখ্যা।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ম্যাপ এবং সীমানা নির্দেশক ইনফোগ্রাফিক।
  • স্লাইড ১১: ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • ক্যাপশন: ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জ সদর, যার নামকরণ হয় সৈয়দ হাবিব উল্লাহর নামানুসারে।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মারক কোনো ছবি।
  • স্লাইড ১২: একনজরে ভ্রমণ তথ্য
    • ক্যাপশন: ৮০০ বছরের প্রাচীন শংকরপাশা শাহী মসজিদ ও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
    • ভিজ্যুয়াল বিবরণ: লাল রঙের পোড়ামাটির নকশা করা উচাইল শংকরপাশা শাহী মসজিদের একটি জীবন্ত ছবি।

🏗️ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

স্লাইড ১: হবিগঞ্জ সদর - ১৫ বছরের উন্নয়ন যাত্রা (২০০৯-২০২৪) ক্যাপশন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) হবিগঞ্জ সদরের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চিত্র। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ব্যাকগ্রাউন্ডে স্থানীয় মানুষ এবং কৃষিক্ষেতের একটি কোলাজ ছবি, সাথে মোট উন্নয়নের একটি সামগ্রিক ইনফোগ্রাফিক। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার । 

স্লাইড ২: আশ্রয়ণ প্রকল্প - ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানা ক্যাপশন: 'বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না' - আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে মাথা গোঁজার ঠাঁই। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: সারিবদ্ধ রঙিন ঘরের ছবি এবং সুবিধাভোগী মানুষের হাস্যোজ্জ্বল মুখের ছবি। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার । 

স্লাইড ৩: মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ক্যাপশন: ধর্ম চর্চা ও মূল্যবোধের বিকাশে 'বি-ক্যাটাগরি' মডেল মসজিদ নির্মাণ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদের ছবি। ইনফোগ্রাফিকে উল্লেখ থাকবে ৯,৪৩৫ কোটি টাকা (জাতীয় প্রাক্কালিত ব্যয়) ও আধুনিক সুবিধাসমূহ।

স্লাইড ৩: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প - ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানা ক্যাপশন: ভূমিহীন মুক্ত হবিগঞ্জ সদর - ২ শতক জমিসহ আধা-পাকা ঘর। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: রঙিন টিনের চালযুক্ত সারিবদ্ধ ঘর এবং সুবিধাভোগী মানুষের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ইনফোগ্রাফিকে উল্লেখ থাকবে প্রতি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা এবং ২০২৩ সালে ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণার তথ্য।

স্লাইড ৪:মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ক্যাপশন: ধর্ম চর্চা ও মূল্যবোধের বিকাশে মডেল মসজিদ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: হবিগঞ্জ সদরের মডেল মসজিদের ছবি বা 3D মডেল, পাশে নির্মাণের সময়কাল এবং প্রাক্কালিত ব্যয়ের একটি সুন্দর ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ৫: তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা - আধুনিক কমিউনিটি ক্লিনিক ক্যাপশন: প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা - ৬ থেকে ১০ হাজার মানুষের জন্য একটি ক্লিনিক। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণরত গ্রামীণ মানুষের ছবি এবং ৩২ ধরনের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ইনফোগ্রাফিক। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার । 

স্লাইড ৬: গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ক্যাপশন: রিচি, তেঘরিয়া ও গোপায়া ইউনিয়নে আরসিসি রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: নতুন নির্মিত আরসিসি রাস্তা ও কালভার্টের ওপর দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের ছবি।

স্লাইড ৭: শিল্প ও অর্থনীতির নতুন দিগন্ত ক্যাপশন: নূরপুর ইউনিয়নে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (HIP) স্থাপনের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কর্মরত শ্রমিকদের ছবি এবং কর্মসংস্থানের ডেটা ইনফোগ্রাফিক । ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার । 

স্লাইড ৮: স্মার্ট সোশ্যাল সেফটি নেট - ভাতা ডিজিটালাইজেশন ক্যাপশন: বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইলে। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: বয়স্ক মানুষের হাতে মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (MFS) একটি ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ৯: ভাতার পরিমাণ ও পরিধি বৃদ্ধি ক্যাপশন: বয়স্ক (৬২/৬৫+ বছর) ও বিধবা ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় উন্নীতকরণ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ভাতা গ্রহণরত উপকারভোগীদের গ্রাফিক্যাল ডেটা এবং প্রবীণ মানুষের হাসিমুখের ছবি। ছবি- শ্রাবনী জোয়ারদার । 

স্লাইড ১০: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা ক্যাপশন: একনজরে হবিগঞ্জ সদর: ২৫৩.৭৪ বর্গ কিমি আয়তন, ১০টি ইউনিয়ন এবং ৩,০৬,৭১৮ জনসংখ্যা। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ম্যাপ এবং সীমানা নির্দেশক ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ১১: ইতিহাস ও ঐতিহ্য ক্যাপশন: ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জ সদর, যার নামকরণ হয় সৈয়দ হাবিব উল্লাহর নামানুসারে। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মারক কোনো ছবি।

স্লাইড ১২: একনজরে ভ্রমণ তথ্য ক্যাপশন: ৮০০ বছরের প্রাচীন শংকরপাশা শাহী মসজিদ ও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: লাল রঙের পোড়ামাটির নকশা করা উচাইল শংকরপাশা শাহী মসজিদের একটি জীবন্ত ছবি।

স্লাইড ১: হবিগঞ্জ সদর - উন্নয়নের ১৫ বছর (২০০৯-২০২৪) ক্যাপশন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শাসনামলে হবিগঞ্জ সদরের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ব্যাকগ্রাউন্ডে গ্রামীণ উন্নয়নের একটি জীবন্ত কোলাজ ছবি, সাথে মোট প্রাক্কালিত ব্যয়ের একটি সামারি ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ২: স্বাস্থ্য ও উচ্চ শিক্ষায় অগ্রগতি ক্যাপশন: আধুনিক শিক্ষার প্রসারে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ছবি ও একটি শিক্ষা আইকনের ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ৪: তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা - কমিউনিটি ক্লিনিক ক্যাপশন: আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়ারত সাধারণ মানুষের ছবি।

স্লাইড ৫: স্মার্ট শিক্ষা ও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ক্যাপশন: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে হবিগঞ্জ সদরের শিক্ষার্থীরা। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: কম্পিউটার ল্যাবে ল্যাপটপ ব্যবহাররত শিক্ষার্থীদের ছবি এবং ল্যাব সংখ্যার ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ৬: শতভাগ বিদ্যুতায়ন ক্যাপশন: আঁধার ঘুচিয়ে আলোর পথে হবিগঞ্জ সদর - ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: বিদ্যুতের খুঁটি ও আলোকিত গ্রামের রাতের ছবি এবং শতভাগ বিদ্যুতায়নের ডেটা।

স্লাইড ৭: ভৌত অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ক্যাপশন: গ্রামীণ রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: নতুন পাকা রাস্তা ও নবনির্মিত ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলের ছবি।

স্লাইড ৮: কৃষি রূপান্তর ও ভর্তুকি ক্যাপশন: কৃষকের মুখে হাসি - আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও সার বিতরণ। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: মাঠে কম্বাইন হারভেস্টর দিয়ে ধান কাটার দৃশ্য এবং কৃষকদের ছবি।

স্লাইড ৯: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (ভাতা কার্যক্রম) ক্যাপশন: বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা ও পঙ্গু ভাতার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষা। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: ভাতা গ্রহণরত উপকারভোগীদের গ্রাফিক্যাল ডেটা এবং বয়স্ক মানুষের হাসিমুখের ছবি।

স্লাইড ১০: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা ক্যাপশন: একনজরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আয়তন, জনসংখ্যা ও ইউনিয়ন। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ডিজিটাল ম্যাপ ও সীমানা নির্দেশক ইনফোগ্রাফিক।

স্লাইড ১২: একনজরে ভ্রমণ তথ্য ক্যাপশন: ৮০০ বছরের প্রাচীন শংকরপাশা শাহী মসজিদ ও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: লাল রঙের পোড়ামাটির নকশা করা উচাইল শংকরপাশা শাহী মসজিদের একটি জীবন্ত ছবি।

স্লাইড ১১: ইতিহাস ও ঐতিহ্য ক্যাপশন: হবিগঞ্জ সদরের নামকরণের পটভূমি ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। ভিজ্যুয়াল বিবরণ: স্থানীয় ঐতিহাসিক কোনো স্থাপনা বা ঐতিহ্যের ছবি।

৪.৮

১০৫ জনমত

উন্নয়ন কেমন দেখছেন?